• গঙ্গাসাগরে তৃণমূল উপপ্রধানের নামে 'নিখোঁজ' পোস্টার, কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে রাজনৈতিক তরজা
    News18 বাংলা | ০৯ জুলাই ২০২৬
  • গঙ্গাসাগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা বর্তমান উপপ্রধান হরিপদ মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তাঁর নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এলাকাজুড়ে ‘নিখোঁজ উপপ্রধান’ পোস্টার লাগিয়েছে বিজেপি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গঙ্গাসাগরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৪ মে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই হরিপদ মণ্ডলকে আর এলাকায় বা পঞ্চায়েত কার্যালয়ে দেখা যায়নি বলে দাবি বিরোধীদের। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গ্রামসভার বৈঠকেও তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে সরব হন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপির অভিযোগ, গঙ্গাসাগর গ্রাম পঞ্চায়েতে কোটি কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগের জবাব এড়াতেই উপপ্রধান গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে দাবি তাদের। বৈঠক শেষে পঞ্চায়েত কার্যালয়ের গেট এবং কালিবাজার এলাকায় হরিপদ মণ্ডলের ছবি-সহ ‘নিখোঁজ উপপ্রধান’ লেখা পোস্টার সাঁটানো হয়।

    এদিকে, গঙ্গাসাগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানও জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে উপপ্রধানের সঙ্গে তাঁরও যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। অন্যদিকে, বিজেপির অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ বা পোস্টার বিতর্ক নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় জোর রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা এবং উপপ্রধানের অনুপস্থিতির কারণ জানতে প্রশাসনের পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর স্থানীয়দের।

    পঞ্চায়েত দফতরের দুর্নীতিতে এবার জিরো টলারেন্স। ১২৫ দিনের কাজ শুরু হতেই বড় পদক্ষেপ রাজ্যের। এবার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানদের হাত থেকে আর্থিক ক্ষমতা তুলে নিতে চাইছে রাজ্য। তার বদলে প্রত্যেকটি পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টদের হাতে অর্থাৎ সরকারি আধিকারিকদের হাতেই আর্থিক ক্ষমতা দিতে চায় রাজ্য। ওড়িশা মডেলকে সামনে রেখেই দুর্নীতি আটকাতে এই পদক্ষেপের পথে হাঁটছে রাজ্য। এর জন্য “west bengal panchayet act 1973” এর আইনে সংশোধন আনছে রাজ্য।
  • Link to this news (News18 বাংলা)