• বিহার মডেলে বাংলার স্বাস্থ্যের হাল ফেরাবেন শুভেন্দু!
    আজকাল | ০৯ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ভবনের ২৪×৭ সেন্ট্রাল মনিটরিং কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পর, সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই পরিষেবা সম্পর্কে বেশকিছু তথ্য তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। কোথা থেকে এই ভাবনা এল তাঁর মাথায়, কেন ভাবলেন, কীভাবে বাস্তবায়ন সেসব তুলে ধরেন। পরিদর্শনের সময় গোটা ব্যবস্থায় কার্যপ্রণালী খতিয়ে দেখেন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও জনমুখী করে তুলতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী  সুমনা সরকার, স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম।

    ভাবনা প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, 'কিছুদিন আগে পাটনা গিয়েছিলাম, সেখানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অফিসে দেখে এসেছিলাম কন্ট্রোলরুম। সমস্ত সাবডিভিশন, জেলা, মেডিক্যাল কলজে রাজ্য হাসপাতালগুলির ডাইরেক্ট মনিটরিং হচ্ছে। পরিষ্কার আছে কিনা, ইমারজেন্সিতে রোগী পড়ে আছে কিনা, বাইরে হাসপাতালের সুন্দর স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ঠিকঠাক আছে কিনা। এসব দেখে এসেছিলাম। আমি রাজ্য মন্ত্রী এবং প্রধান সচিবকে বলেছিলাম এখানে এরকম বানান। এখনও পুরোটা প্রস্তুত হয়নি। আরও একমাস সময় লাগবে। ১৫-১৬টি রাজ্য হাসপাতাল এবং পাশাপাশি জেলার কয়েকটি হাসপাতালে হয়েছে। '

    সঙ্গেই তিনি জানান, সমগ্র পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তিনি বেশকিছু সাজেশন দিয়েছেন। ৩০ জুলাই-এর মধ্যে সাবডিভিশন পর্যন্ত এই বিষয়টিকে যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন। জানিয়েছেন মনিটরিং অর্থাৎ পর্যবেক্ষণ করা হবে রান্নার ঘরও। রোগীদের পরিবেশন করা খাবার নিয়েও ভাবনার কথাও এদিন তিনি জানান সংবাদমাধ্যমের সামনে।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'একটা হাসপাতালের পরিবেশ-পরিষেবা ঠিকঠাক করার জন্য মনিটরিং দরকার। স্টেট হাসপাতালগুলির পরিচ্ছন্নতা দেখে ভাল লেগেছে।' স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা এবং নার্সদের প্রসঙ্গেও তিনি নিজের ভাবনা প্রকাশ করেন। বলেন, 'নার্স দিদিদের জন্য ল্যামিনেশন করা ব্যাজ করে দিতে। বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন রঙের ব্যাজ করার পরিকল্পনা।' এছাড়াও অন্তত আড়াইশ জনকে প্রাথমিক পরিষেবা দেওয়ার জন্য ট্রমা কেয়ার বানানো উচিৎ বলে জানান তিনি।

     
  • Link to this news (আজকাল)