সূর্যপুরে হচ্ছে নতুন পুলিশ ফাঁড়ি, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরেই উপযুক্ত জমির খোঁজ শুরু
News18 বাংলা | ০৯ জুলাই ২০২৬
ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। তারপর এবার বারুইপুরের সূর্যপুরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হবে আরও জোরদার, সেখানে হতে চলেছে পুলিশ ফাঁড়ি। ফাঁড়ির জন্য জায়গা দেখাও শুরু করেছে বারুইপুর জেলা পুলিশ। ইতিমধ্যেই উপযুক্ত জমির খোঁজ শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। বারুইপুর থানা ১৯টি পঞ্চায়েত ও একটি পুরসভা নিয়ে গঠিত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, বারুইপুরের নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারের দাবি মেনে সূর্যপুরে পুলিশের ফাঁড়ি হবে।
পরের বার যখন তিনি বারুইপুরে যাবেন, তখন ফাঁড়ির উদ্বোধন হবে। ফলে সূর্যপুরের মানুষদের নিরাপত্তা আরও বাড়বে। বারুইপুর থানা ভেঙে নতুন থানা হলে আরও ভাল হয় বলে মত স্থানীয়দের। বেলেগাছি, হাড়দহ, বৃন্দাখালি অনেকটাই দূর থানা থেকে। বারুইপুর পূর্বের চম্পাহাটি, বেগমপুর, হাড়দহ, রামনগর ১, রামনগর ২, নবগ্রাম এলাকাও অনেক দূর। এর আগে উত্তরভাগ থানার জন্য চেষ্টা হলেও তা হয়নি। এই থানা ভাঙলে জয়নগরের ধোসা এলাকার মানুষও উপকৃত হবেন। অপরদিকে সূর্যপুরে পুলিশের একটি ক্যাম্প থাকলেও সেটি মূলত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে বারুইপুর থানায় যেতে হয়। নতুন পুলিশ ফাঁড়ি চালু হলে সেই সমস্যার সমাধান হবে। স্থানীয় মানুষ সরাসরি ফাঁড়িতেই অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন। পাশাপাশি তদন্ত সংক্রান্ত প্রাথমিক কাজও সেখান থেকেই করা সম্ভব হবে। ফলে সাধারণ মানুষের সময় বাঁচবে, হয়রানি কমবে। পুলিশ সূত্রে খবর, নতুন ফাঁড়িতে বর্তমান ক্যাম্পের তুলনায় আরও বেশি সংখ্যক পুলিশকর্মী ও অফিসার মোতায়েন করা হবে।
এর ফলে এলাকায় টহলদারি, অপরাধ দমন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশি পরিষেবা দেওয়া আরও সহজ হবে। সূর্যপুর ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ফাঁড়ি গড়ে তোলার। এর সঙ্গে সূর্যপুর সেতুতে পর্যাপ্ত আলো দেওয়ার দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। সূর্যপুর সেতু সংস্কার করে চালু হয়েছে বছরখানেক আগেই। এই সেতু জয়নগরকে যুক্ত করছে। প্রতিদিন এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে কয়েকশো গাড়ি চলাচল করে। কিন্তু আলো না থাকায় অন্ধকারে ডোবে সেতু। ফলে আলো চেয়েছেন তাঁরা।