• কুনালের ৯১ পাতার চিঠি নিয়ে দ্বন্দ্ব দুই তৃণমূলে
    এই সময় | ১০ জুলাই ২০২৬
  • এই সময়: তৃণমূলের প্রাক্তন এক সাংসদ প্রায় এক দশক আগে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সিবিআই ডিরেক্টরকে চিঠি লিখে জোড়াফুল দলকে তুলে দেওয়ার সলতে পাকানো শুরু করেছিলেন বলে অভিযোগ করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার প্রেস কর্নারে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে ঋতব্রত বলেন, ‘উনি (প্রাক্তন সাংসদ) জানান, তিনি দশ হাজার টাকা চাঁদা দিতেন। কিন্তু হাজার হাজার কোটির দুর্নীতি নিয়ে চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, সব খরচের পরে আরও ৩০ কোটি ছিল। এক জনের কাছে রাখা হয়েছিল কোথাও বিনিয়োগ করার জন্য। এই চিঠি দল তুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তখন থেকেই সলতে পাকানো শুরু হয়েছিল। দলের সাংসদ সেই সময়ে কি বেইমানি করেছিলেন?’

    এই ৯১ পাতার চিঠি ক্যুরিয়র করে কালীঘাটে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ঋতব্রত। বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘এই চিঠিতে লেখা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী চিটফান্ডের টাকায় চলেন। চিটফান্ডের সব থেকে বেনিফেশিয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’

    বিরোধী দলনেতার এই বক্তব্য নিয়ে তৃণমূলের কালীঘাট শিবিরের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘আমার ধারণা মমতাদির ওটা (চিঠি) পড়ে মুখস্থ হয়ে গিয়েছে। আমি প্রথম হুইলস ব্লোয়ার। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব তথ্য পেয়েছেন। যে মাসে কুণাল ঘোষ ৯১ পাতার চিঠি দিয়েছে, সেই মাসেও সদস্য চাঁদা দিয়েছি। আমি তখন জেলের মধ্যে, আমি কী ভাবে দল ভাঙানোর সলতে পাকানো শুরু করেছিলাম?’

  • Link to this news (এই সময়)