সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: দেওয়াল চিত্রের মাধ্যমে সেজে উঠেছে শ্রাবণী মেলা। তাতে রয়েছে শিব, পুরাণ, তারকেশ্বর মন্দির সৃষ্টির ইতিহাস। রয়েছে লেজার শো। এবার শ্রাবণী মেলা জাতীয় উৎসবের মর্যাদা পেয়েছে। প্রতি বছর শ্রাবণী মেলায় কয়েক লক্ষ পুণ্যার্থীর আগমন হয় তারকেশ্বরে। এবার এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে অনুমান প্রশাসনের। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই মেলাকে বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে।
তারকেশ্বরের বাজিতপুরে মন্দিরে প্রবেশের গেট থেকে নতুন রাস্তা তৈরির কাজ প্রায় শেষ। থানা থেকে মন্দির যাওয়ার রাস্তায় দেওয়ালে আঁকা হয়েছে শিব, পুরাণ ও তারকেশ্বর মন্দির সৃষ্টির ইতিহাস। তারকেশ্বর ব্লকের বালিগড়ি ১ নম্বর পঞ্চায়েতের তারকেশ্বর-বৈদ্যবাটি রোডের পাশে বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। থাকবে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। লেজার লাইটে সাজানো হচ্ছে মন্দির চত্বরে। মেলা উদ্বোধন করতে আগামী ১৪ জুলাই তারকেশ্বরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই দফায় দফায় বৈঠক করা হচ্ছে। পানীয় জল, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, অগ্নি নির্বাপণ দপ্তর, সাফাই কর্মীরা মেলার জন্য বিশেষভাবে তৈরি রয়েছেন।
তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পান বলেন, শ্রাবণী মেলা এই বছর জাতীয় উৎসবের চেহারা পাবে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই মেলাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলেছেন। বৈদ্যবাটি-তারকেশ্বর পর্যন্ত রাস্তার দু’দিকে চারটি বড়ো সেবা শিবির করা হচ্ছে। ১৬টি সহায়তা কেন্দ্রে থাকবে চিকিৎসা ব্যবস্থা সহ সব রকম সুযোগ-সুবিধা। নিমাই তীর্থ ঘাট সহ সমস্ত ঘাটকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। গড়া হচ্ছে সাংস্কৃতিক মঞ্চ। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে আসার পর তীর্থযাত্রীদের সেবা-সুশ্রুষার ব্যবস্থা থাকছে। ১৫-১৯ জুলাই বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। ১৮ জুলাই সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে এই মেলা।