বড়ো বিপর্যয় সামলানোর পরিকাঠামো সরকারি হাসপাতালগুলির নেই: শুভেন্দু, রাজ্যে ২৫০ বেডের ট্রমা সেন্টার, পিজিতে বেড ও আইসিইউ বাড়ছে
বর্তমান | ১০ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে আড়াইশো বেডের প্রথম সারির ট্রমা সেন্টার তৈরি হবে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবনে এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, তারাতলার ঘটনা থেকে কতগুলি শিক্ষণীয় বিষয় উঠে এসেছে। বোঝা যাচ্ছে, খুব বড়োসড়ো বিপদ হলে তা সামাল দেওয়ার মতো অবস্থা রাজ্যের কোনো সরকারি হাসপাতালে নেই। ট্রমা সেন্টার দরকার। জায়গার অভাব নেই। প্রত্যেকটা সরকারি হাসপাতালের পিছনে বড়ো জায়গা আছে। বড়ো বিপর্যয় ঘটার পর আড়াইশো মানুষ এসে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে তাঁদের প্রাথমিক পরিষেবা দেওয়ার মতো ট্রমা সেন্টার দরকার। অগ্নিদগ্ধ মানুষের চিকিৎসার পরিকাঠামো আরও বাড়ানো প্রয়োজন। এছাড়াও তিনি বলেছেন, চাহিদার তুলনায় পিজি হাসপাতালে ৩৫০ বেড কম আছে। মাত্র ১১২টি ক্রিটিকাল কেয়ার বেড যথেষ্ট নয়। অন্তত দু’শো থাকা উচিত। আমরা এসে পিজিতে ১০০ বেড বাড়িয়েছি। পুজোর আগে আরও ২৫০ বেড বাড়াব। হাসপাতালে পলিথিন, কাগজ, কাপড় পেতে মাটিতে শুয়ে থাকা রোগীর পরিজনদের জন্য হাসপাতালের এক প্রান্তে বিশ্রামের জায়গা তৈরি করতেও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রতিটি হাসপাতালকে ২৫ লক্ষ টাকা অনুদান দেবে সরকার। এর পাশাপাশি জানান, নিউটাউনে আদানি গোষ্ঠী নতুন হাসপাতাল বানাবে। ২ হাজার বেডের ওই হাসপাতালের এক হাজার বেডে গরিব রোগী নিখরচায় চিকিৎসা পাবেন। এদিন স্বাস্থ্যদপ্তরের সদ্য চালু হওয়া ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল রুমের কাজকর্ম দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, এখন পর্যন্ত ১৫-১৬টি রাজ্যস্তরের হাসপাতাল ও কয়েকটি জেলা হাসপাতাল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে বলেছি। কন্ট্রোল রুম করার অন্যতম কারণ দালালদের আটকানো। এছাড়া হাসপাতালের আউটডোর, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসবদিকে নজর রাখা হবে কন্ট্রোল রুম থেকে।