সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: শুরু হয়েছে বর্ষা। বইছে ঝোড়ো হাওয়া। নদী ও সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতেও সুন্দরবন অঞ্চলের বহু নদীবাঁধ বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। সেগুলির বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পাথরপ্রতিমার জি-প্লট গ্রাম পঞ্চায়েতে গেলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পঞ্চায়েতের গোবর্ধনপুর এলাকার বাসিন্দারা খুবই সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। কারণ এখানকার সমুদ্র বাঁধ সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে। পূর্ণিমা ও অমাবস্যার কটালের সময় সমুদ্রের জল বাড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা নোনা জলে প্লাবিত হয়। বহু ঘরবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বর্ষাকালে এই সমস্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, এখানে একটি স্থায়ী সমুদ্র বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই, এবার সেই দাবি মেনে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ওই এলাকা পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী।
স্থানীয় বাসিন্দা অচিন্ত্য বারিক বলেন, ‘প্রায় পাঁচ বছর আগে এই গোবর্ধনপুর এলাকায় ২২ কোটি টাকা ব্যয় করে সমুদ্র বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু দেড় বছরের মধ্যে সেই বাঁধ ভেঙে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল। গ্রামবাসীরা সেই সময় ওই ধরনের সমুদ্র বাঁধ নির্মাণ করার ব্যাপারে বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই কথা কেউ কর্ণপাত করেননি। পরে আরও লক্ষ লক্ষ টাকা এখানে বাঁধ নির্মাণ করে ক্ষতি করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের মন্ত্রীর কাছে স্থায়ীভাবে একটি সমুদ্র বাঁধ নির্মাণ করার জন্য আবেদন রাখা হয়েছে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘সেচদপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করলাম। সমুদ্র বাঁধ নির্মাণের বিষয় নিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গেও কথা বলেছি। গ্রামবাসীরা জমি দিলে, আগামী দিনে নিশ্চিতভাবে এখানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করার পরিকল্পনা নেওয়া