• শুক্র ও শনি তপসিয়ার রিসর্টে ঋতব্রত শিবিরের বৈঠক
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ১০ জুলাই ২০২৬
  • দল দখল করতে মরিয়া ঋতব্রতপন্থী শিবির। কালীঘাট শিবিরের আগে সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলতে এবার নতুন রাজ্য সভাপতি ও জেলা সভাপতিদের নাম ঘোষণার পথে তারা। শুক্রবার ও শনিবার নবগঠিত ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে খবর।

    গত ২২ জুন নিউ টাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল শিবিরের বৈঠক হয়েছিল। সেখানে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের পাশাপাশি কলকাতা এবং রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূলের চেয়ারপার্সন পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার বদলে হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে নতুন চেয়ারপার্সন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খান এবং সন্দীপন সাহাকে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং আখরুজ্জামান আনসারিকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়। এছাড়া ৩০ সদস্যের একটি ওয়ার্কিং কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এই তালিকা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়ে নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে দাবি করে ঋতব্র শিবির। পাল্টা দাবি জানিয়ে কালীঘাট থেকেও নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি কমিশনের বিচারাধীন।

    এদিকে মেট্রোপলিটনে অবস্থিত অস্থায়ী তৃণমূল ভবনের দখলও নিয়েছেন ঋতব্রত শিবিরের নেতারা। দলীয় সংগঠনের উপর নিজেদের দাবি আরও মজবুত করতে এবার রাজ্য এবং জেলা স্তরের কমিটি গঠনের কাজে জোর দেওয়া হচ্ছে।

    এই উদ্দেশে তপসিয়ার বোটিং ক্লাব রিসর্টে দু’দিনের বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। বৈঠকে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার সংগঠনের নেতারা এবং গত বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত কয়েক জন প্রার্থীও উপস্থিত থাকতে পারেন। সূত্রের খবর, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক দক্ষতার ভিত্তিতে তাঁদের মধ্যে কয়েক জনকে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    নবনিযুক্ত চেয়ারপার্সন অরূপ রায় জানিয়েছেন, ‘আজ আমাদের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক রয়েছে। সেখানেই রাজ্য সভাপতি এবং জেলা সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হবে।‘
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)