• ২১ জুলাই নিয়ে দড়ি টানাটানি অব্যাহত! এবার আদালতে ‘কালীঘাট তৃণমূল’
    প্রতিদিন | ১০ জুলাই ২০২৬
  • ২১ জুলাই নিয়ে দড়ি টানাটানি অব্যাহত! আগেই কালীঘাট তৃণমূল (Kalighat TMC) ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ‘আসল’ তৃণমূলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। জানানো হয়েছে ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের আয়োজন করা যাবে না। বিকল্প জায়গার কথা জানাতে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতি চান তাঁরা। এই আবহে এবার ২১ জুলাই নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল ‘কালীঘাট তৃণমূল’। 

    ২১ জুলাই দিনটি তৃণমূল কংগ্রেস বরাবর মেগা ইভেন্ট হিসেবে পালন করে থাকে। ১৯৯৩ সালের তখনকার যুব কংগ্রেস কর্মীদের মহাকরণ অভিযানে তৎকালীন সরকারপক্ষের গুলিচালনায় ১৩ জনের নির্মম মৃত্যুর ঘটনাকে স্মরণে রেখে এই কর্মসূচি করে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ঘটনাস্থল ওই জায়গা বলে সেখানেই শহিদ দিবস উদযাপন করা হয়। কিন্তু এবছর ব্যতিক্রম হতে চলেছে। কারণ, ছাব্বিশে ভরাডুবির পর দুই শিবিরে বিভক্ত ঘাসফুল শিবিরে রাজনৈতিক জটিলতা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। দলের প্রতীক, তহবিল নিয়ে চলছে টানাপোড়েন।

    এবার কালীঘাট তৃণমূলের কাছে চ্যালেঞ্জটা অন্যরকমের। এতদিন যে অঙ্কে অন্য দল থেকে একুশের মঞ্চে বড় বড় নেতাদের যোগদান করানো হত, এখন সেই অস্ত্রেই বিদ্ধ কালীঘাট। দলে ভাঙন এমন পর্যায়ে যে প্রতীক টিকিয়ে রাখাই কাল। বেশিরভাগ সাংসদ-বিধায়ক এখন বিদ্রোহী। অন্তত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব মানতে নারাজ। এই মুহূর্তে তৃণমূলের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলত্যাগী ও বিদ্রোহীদের মোকাবিলা। তাই দলের যে সব নেতাকর্মীরা দুর্দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন, বা এখনও আছেন অথচ হয়তো সঠিক সম্মান পাননি বা কাজ করার সুযোগ পাননি, তাঁদের এবারের একুশের সমাবেশে এনে সংগঠনের বাঁধুনি শক্ত করতে চাইছে তৃণমূল। তবে সভা কোথায় তা এখনও অনিশ্চিত।  ইতিধ্যেই ধর্মতলায় মমতাপন্থী তৃণমূল নেতারা ফিতে নিয়ে জায়গা মাপামাপি করায় তাঁদের বিরুদ্ধে হেয়ারস্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ সাফ জানিয়েছে, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া যাবে না। তাই এবার আদালতের দ্বারস্থ তাঁরা। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)