বহরমপুরের বেসরকারি এক হোটেল...বেলা ২টো নাগাদ পৌঁছলেন শুভেন্দু, ১৪ জনের সঙ্গে হল বৈঠক
News18 বাংলা | ১০ জুলাই ২০২৬
বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি কোর কমিটির ১৪ জন সদস্যকে নিয়ে বহরমপুরে এক বেসরকারি হোটেলে বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে এই প্রথম মুর্শিদাবাদ জেলা সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আকাশপথে যাওয়ার পূর্ব সড়কপথে কলকাতা থেকে বহরমপুরে এসে উপস্থিত হন শুভেন্দু অধিকারী। সড়কপথে কৃষ্ণনগরে বৈঠক করেন শুভেন্দু। বহরমপুরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর।
বহরমপুর স্টেশন সংলগ্ন এক বেসরকারি হোটেলে বেলা দু’টো নাগাদ এসে উপস্থিত হন তিনি। বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন, এছাড়াও ছিলেন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ, জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ।
রেজিনগর বিধানসভা আসন থেকে হুমায়ুন কবীর পদত্যাগ করার কারণেই সামনেই উপ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত এই রেজিনগরে এবার পাখির চোখ গেরুয়া শিবিরের। রেজিনগর বিধানসভা উপ নির্বাচনে ভাল ফল কিভাবে করা যায় তা নিয়ে একাধিক টাস্ক দিয়ে যান রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান শুভেন্দু। এছাড়াও, আগামী দিনে মুর্শিদাবাদ জেলার সার্বিক উন্নয়ন কিভাবে করা যায়, তা-ও আলোচনা করা হয়।
সামনেই বিধানসভা উপ নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়নি কিন্তু এখন পাখির চোখ করলেন রেজিনগর উপ নির্বাচনকে। রেজিনগর ও নওদা বিধানসভা দুটি আসনেই জয়ী হয়েছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। এই আসন পদত্যাগ করতেই হুমায়ুনের ছেলে গোলাম নবী আজাদ রবিন কে প্রার্থী ঘোষণা করেছে হুমায়ুন কবীর। যদিও বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিজেপি, ৬৮ হাজার ভোট পেয়েছিল বিজেপি প্রার্থী। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় ৭২ শতাংশ ভোট আছে এই বিধানসভা কেন্দ্রে। ফলে সংখ্যালঘু কেন্দ্র থেকেই উন্নয়নকে নিজেদের দিকে টেনে নিতেই নতুন সমিকরণ করতে চায় শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই কারণেই আলাদা আলাদা করে নতুন দায়িত্ব দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্বদের।
বর্তমানে রেজিনগর উপনির্বাচনের উপরে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ এদিন রেজিনগরে জনসভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী। নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের জমি থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে এই জনসভা। তকিপুর হাই মাদ্রাসার মাঠ। শুভেন্দু অধিকারীর জনসভা উপলক্ষে যে মাঠ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।