• ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালের ধৃত ডাক্তারকে সাসপেন্ড স্বাস্থ্য ভবনের
    বর্তমান | ১১ জুলাই ২০২৬
  • সংবাদদাতা, ইটাহার: নার্সদের পোশাক বদলের রুমে গোপন ক্যামেরা রাখার দায়ে ধৃত ডাক্তার বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠল। ইতিমধ্যে ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালের ওই ডাক্তার ১৪ দিনের জেল হেপাজতে রয়েছেন। এরই মধ্যে তপশিলি জাতির এক নার্সকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এদিকে, অভিযুক্ত ডাক্তারকে ইতিমধ্যে সাসপেন্ড করেছে স্বাস্থ্য ভবন। শুক্রবার উত্তর দিনাজপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুকান্ত বিশ্বাস বলেন, তদন্ত রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে গত ৭ জুলাই স্বাস্থ্য ভবন অভিযুক্ত চিকিৎসককে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সাসপেন্ড করেছে।

    গত ৩০ জুলাই ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালে নার্সদের পোশাক বদলের রুমে গোপন ক্যামেরা রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন বিশ্বজিত্। তার মাঝে ধাপে ধাপে হাসপাতালের চার নার্স ডাক্তারের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণ, ব্যাড টাচ, নার্সদের পোশাক বদলের রুমে জোরপূর্বক প্রবেশ করার অভিযোগ জানান।  

    অভিযোগ, প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত ডাক্তার প্রভাব খাটিয়ে নার্সদের বদলি করা সহ গোপন মুহূর্তের ছবি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল করার হুমকি দিতেন।  সম্মানহানির ভয়ে প্রথমে কেউ মুখ না খুললেও পরে ৩০ জুলাই এই ঘটনা সামনে আসতেই একে একে সকলে থানায় অভিযোগ জানান। 

    অভিযোগকারী এক নার্স বলেন, ওই ডাক্তার আমার জাত তুলে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। আমি থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। ইটাহার নাগরিক মঞ্চ ধৃতের বিরুদ্ধে অবিলম্বে এসসি-এসটি ধারা যুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। 

    নার্সরা নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতে পুলিশ সুপারেরও দ্বারস্থ হয়েছেন। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে আদালতের নির্দেশে পাঁচজন নার্সের গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। 

    ১৪ দিনের জেল হেপাজত শেষে আগামী ২২ জুলাই ফের ধৃত ডাক্তারকে আদালতে পেশ করা হবে। 
  • Link to this news (বর্তমান)