জনগণনা শুরুর আগেই বাংলার সেন্সাস কর্তা বদল কেন্দ্রের
আজকাল | ১১ জুলাই ২০২৬
দীক্ষা ভুঁইয়া
প্রশাসনিক কারণে পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের ২০০৬ ব্যাচের আইএএস অফিসার রশ্মি কমলকে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কেন্দ্রীয় ডেপুটেশন থেকে রাজ্য ক্যাডারে ফেরানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটি। প্রশাসন সূত্রের খবর, এ রাজ্যের সেন্সাস ডিরেক্টরের দায়িত্ব (অতিরিক্ত হিসাবে) দেওয়া হতে পারে ওড়িশার সেন্সাস ডিরেক্টর নিখিল পবন কল্যাণকে। ১ অগস্ট থেকে দেশজুড়ে জনগণনার কাজ শুরু হতে চলেছে। এখন চলছে প্রশিক্ষণের কাজ।
রশ্মি কমল রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেন্সাস কমিশনারের দফতরে (RGI) ডিরেক্টর স্তরের কর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, তাঁকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মূল ক্যাডারে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে ‘কুলিং অফ’-এর নিয়মও প্রযোজ্য থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
এই বছর ফেব্রুয়ারিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের ২০০৬ ব্যাচের আইএএস রশ্মি কমলকে পশ্চিমবঙ্গের জনগণনা কার্যক্রমের পরিচালক (ডিসিও) এবং নাগরিক নিবন্ধনের পরিচালক (ডিসিআর) হিসেবে নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছেন। এই নিয়োগটি কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনে করা হয়েছিল। এটি তিন বছরের মেয়াদ ছিল। ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে তা কার্যকর করা হয়েছিল।
২০০৪ সালে প্রথম প্রচেষ্টাতেই ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন রশ্মি কমল। ২০০৬ সালে আইএএস হিসেবে যোগদান করেন। ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং শরণার্থী ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর এবং পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন বিষয়ক দপ্তরের সচিব ছিলেন তিনি। পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসকের দায়িত্বেও ছিলেন বেশ কিছু দিন। ২০১৯ সালে পি মোহনগান্ধীর জায়গায় তাঁকে এই দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর আগে পূর্ব মেদিনীপুরেরও জেলাশাসক ছিলেন রশ্মি।