: ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে জলপরিষেবা পেল গতি। উদ্বোধন হল একাধিক অত্যাধুনিক জেটির। ফলে সুবিধা মিলবে শিল্পাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের। হুগলি নদীপথে যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করতে পরিবহন দফতরের উদ্যোগে একযোগে ১০টি নতুন পন্টন জেটির উদ্বোধন করা হয়। শুক্রবার কলকাতার মেটিয়াব্রুজ থেকে ভার্চুয়ালি এই জেটিগুলির উদ্বোধন করেন রাজ্যের পরিবহন দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী অর্জুন সিং।
এর মধ্যে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের হালিশহর জুটমিল ঘাটের পন্টন জেটি এবং ব্যারাকপুরের বাবাজি জেটিরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। হালিশহর জুটমিল ঘাটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হালিশহর পুরসভার পৌরপ্রশাসক শ্রীকুমার ভট্টাচার্য, পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার রামপ্রসাদ মণ্ডল, বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অমিত চৌবে, সম্পাদক ধীরাজ ঝাঁ-সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
অন্যদিকে, ব্যারাকপুরের বাবাজি জেটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার মনোস সাহা এবং উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ ভট্টাচার্য। পরিবহন দফতরের উদ্যোগে নির্মিত এই আধুনিক পন্টন জেটিগুলি জোয়ার-ভাটার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরাপদ ও সহজ জলযাত্রার সুযোগ করে দেবে। এর ফলে হুগলি নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের যাতায়াত আরও সহজ ও আরামদায়ক হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল, হালিশহর এবং সংলগ্ন এলাকার বহু মানুষ প্রতিদিন নদীপথে যাতায়াত করেন। নতুন জেটি চালু হওয়ায় সেই পরিষেবা আরও উন্নত হবে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তাও বাড়বে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা জানান, নদীপথকে আরও কার্যকর গণপরিবহন হিসেবে গড়ে তোলাই নতুন রাজ্যে সরকারের লক্ষ্য। ভবিষ্যতে এই জলপথে নতুন রুট চালু করা, আধুনিক ফেরি পরিষেবা বৃদ্ধি এবং যাত্রীবান্ধব পরিকাঠামো তৈরির মতো একাধিক পরিকল্পনা রয়েছে। সেই পরিকল্পনারই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে এই পন্টন জেটিগুলির উদ্বোধন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও নতুন জেটি চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আশা, উন্নত নদীপথ পরিষেবার মাধ্যমে শিল্পাঞ্চল ও হুগলির দুই তীরের মানুষের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে এবং দৈনন্দিন যাতায়াত অনেকটাই সময়সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক হয়ে উঠবে।