• উত্তাল বঙ্গোপসাগরে বিপর্যয়, ট্রলারের পাটাতন ফেটে জল ঢুকতেই ডুবতে বসে নৌকা, কী হল ১২ জনের?
    News18 বাংলা | ১১ জুলাই ২০২৬
  • উত্তাল বঙ্গোপসাগরে বড়সড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ল একটি মাছ ধরার ট্রলার। বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার গভীরে জাল টানার সময় আচমকাই ট্রলারের পাটাতন ফেটে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ট্রলারের ভিতরে হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করলে প্রাণ বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন জানান মৎস্যজীবীরা।

    বিপদসংকেত পেয়ে আশেপাশে মাছ ধরতে থাকা অন্যান্য ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। তাদের তৎপরতায় ট্রলারে থাকা ১২ জন মৎস্যজীবীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে উপকূলে খবর পাঠানো হলে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটিকে টেনে আনার জন্য আরও একটি ট্রলার রওনা দেয়।

    জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে এফবি আল ফাতেহা নামে ট্রলারটি মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে যায়। যদিও সমুদ্রে এখনও প্রবল ঢেউ রয়েছে, আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় বহু ট্রলার এদিন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে বেরিয়েছিল। সেই কারণেই দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন মৎস্যজীবীরা। বর্তমানে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটিকে টেনে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূলে নিয়ে আসার কাজ চলছে। উদ্ধার হওয়া ১২ জন মৎস্যজীবীকেও নিরাপদে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

    এদিকে, এখনও দীঘার একটি নিখোঁজ ট্রলারের কোনও খোঁজ মেলেনি। সমুদ্রে থাকা অন্যান্য ট্রলারগুলিকে ওই ট্রলারের সন্ধান পেলে দ্রুত প্রশাসনকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের আশা, সমুদ্রে এখন বেশি সংখ্যক ট্রলার থাকায় নিখোঁজ ট্রলারটির সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়বে।

    তিন দিন আগে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় শংকরপুরের একটি ফিশিং ট্রলার। ‘জয় মা কালী’ নামে ওই ট্রলারে মোট ১৬ জন মৎস্যজীবী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, গত ২ জুলাই শংকরপুর মৎস্যবন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে রওনা দিয়েছিল ‘জয় মা কালী’ ট্রলারটি। আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা পাওয়ার পর অন্য ট্রলারগুলির মতো তারাও তীরে ফিরে আসার কথা ছিল।
  • Link to this news (News18 বাংলা)