• ‘ভালো তো, এতে খারাপ কিছুই নেই’, ঋতব্রত শিবিরের জেলা সভাপতি হয়েই কী বললেন অনুব্রত?
    এই সময় | ১২ জুলাই ২০২৬
  • তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে নাম লেখাবেন, সেই গুঞ্জন আগে থেকেই ছিল। সেই গুঞ্জনই সত্যি বলে প্রমাণিত হলো শনিবার। ২ দিনের বৈঠকের শেষ দিন যখন একাধিক জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা করল ঋতব্রত শিবির। বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হলো অনুব্রত মণ্ডলের নাম। তারপরই এই সময় অনলাইনের সামনে মুখ খুললেন অনুব্রত মণ্ডল।

    অনুব্রত বললেন, ‘জেলা সভাপতি হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে সেটা ভালো তো। এতে খারাপ কিছুই নেই। আমার খুব শরীর খারাপ, এখন আর বেশি কিছু বলতে পারব না।’

    বীরভূমের রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলের দাপট বহু পুরোনো। তৃণমূল আমলে তিনিই ছিলেন বীরভূমের অবিসংবাদিত নেতা। অনুব্রত মণ্ডলের বিভিন্ন ডায়লগ নিয়ে চর্চাও কম হয়নি। বীরভূমের মাটিতে কান পাতলে শোনা যায় অনুব্রত মণ্ডল ও কাজল শেখের গোষ্ঠীর নিরন্তর টানাপড়েনের কথাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনেই মঞ্চের উপর ২ জনের মধ্যে টানাপড়েন প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। সেই কাজল শেখ এখন ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলে। বিধানসভা ভোটে হাঁসন থেকে জিতেছেনও তিনি। এ বার সেই গোষ্ঠীই অনুব্রত মণ্ডলকে বীরভূম জেলার সভাপতি করল।

    বীরভূমে অনুব্রতর ক্ষমতায় ধাক্কা লাগে গোরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পরে। তিনি তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন। ওই টালমাটালের পরে বীরভূম জেলায় তৃণমূল আলাদা করে কোর কমিটি তৈরি করে। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরেও অনুব্রত আর তৃণমূল জেলা সভাপতি পদে আসেননি। কোর কমিটির সদস্য হয়েছিলেন, সেই কোর কমিটি বীরভূমে তৃণমূলের সংগঠন দেখত। এখন বীরভূমের সেই নেতাদের প্রথমসারির প্রায় সকলেই ঋতব্রত শিবিরে।

    এরই মধ্যে বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও হাঁসনের বিধায়ক কাজল শেখের সোশ্যাল মিডিয়ার কভার ছবি ঘিরে জল্পনা হয়েছে। তিনি তাঁর কভার ছবিতে নিজের ছবিই লাগিয়েছেন। অনুব্রতর নাম ঘোষণার পরে তাঁর প্রতিক্রিয়া অবশ্য মেলেনি।

  • Link to this news (এই সময়)