আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিজেপি করার অপরাধ তো ছিলই। পাশাপাশি ঘোলেরহাটে এক ৭০ বছরের প্রবীণ নাগরিকের খুনের ঘটনায় দুষ্কৃতীদের মদত দেওয়ার পিছনে তৎকালীন ডায়মন্ড হারবারের এসডিপিও মিঠুন দে'র নাম বলে ফেলেছিলেন উস্তির বাসিন্দা এবং সক্রিয় এক বিজেপি কর্মী। আর তার ফল! থানায় ডেকে নিয়ে গিয়ে নগ্ন করে মারধর এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তা ভাইরাল করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশ অফিসার মিঠুন দে'র বিরুদ্ধে!
এখন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এবার সামনে এসে তাই পুলিশ প্রশাসনের কাছে সরাসরি পুলিশ অফিসার মিঠুন দের নামে অভিযোগ দায়ের করলেন ওই বিজেপি কর্মী। প্রশাসন তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। কী অভিযোগ করেছেন ওই বিজেপি কর্মী?বিজেপির ওই কর্মীর অভিযোগ, ২০১৪ সাল থেকে তিনি বিজেপির একনিষ্ঠ কর্মী শুধু নয় জেলার যুবমোর্চার ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ২০২১ সালে মগরাহাট পশ্চিমের প্রার্থীর হয়ে প্রচারও করেছিলেন। কিন্তু সেই প্রার্থীকেও খুন করা হয় বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন। পাশাপাশি ২০২৩ সালের ২২ জানুয়ারির ঘোলেরহাটের খুনের প্রমাণ থাকায় তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে পুলিশ আধিকারিক মিঠুন দে'র নাম বলেন।
অভিযোগ, তারপরই তাঁকে থানায় তুলে আনা হয় এবং হাত -পা বেঁধে অকথ্য অত্যাচার করা হয়। অজ্ঞান হয়ে পড়েন। কিন্তু অত্যাচার থামেননি। এমনকী তাঁর সঙ্গীরা থানার বাইরে থাকায় তাঁদেরও লাঠিচার্জ করে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিন মাস ধরে নির্যাতনের শিকার বিজেপি কর্মী যাতে বাইরে যেতে না পারেন সেই কারণে বাড়ির চারদিকে পুলিশের পাহারা বসানো হয়েছিল।
যদিও যে পুলিশ অফিসারের নাম উঠে এসেছে সেই মিঠুন দে বলেন,”এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি। এমনকী বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লা থানায় ঢুকেছিলেন। তখন উনি লোকজন নিয়ে ঢুকেছিলেন। এই ঘটনার বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই। উনি তৎকালীন বিধায়ক গিয়াসউদ্দিনবাবুর ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ফলে উনি কবে থেকে বিজেপি করছেন সেটা জানা নেই। কোনও প্রমাণ থাকলে দেখাতে বলুন।”
পাল্টা নির্যাতিত বিজেপি কর্মী জানিয়েছেন জোর করে ২০২১ র ভোটের পর থেকে ঘরছাড়া ছিলেন তাঁরা। তখন বাড়ি ফেরানোর নাম করে তৃণমূলে জোর করে নাম লেখাতে বাধ্য করেছিলেন মিঠুন দে!