স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সরকারের উদ্যোগে বাঁচানো হবে গোবর্ধনপুরকে। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা সম্প্রতি পরিস্থিতি দেখে জানিয়েছেন, স্থানীয়রা জমি দিলেই, নিশ্চিতভাবে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এই এলাকায় প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যায়ের বাঁধ প্রায় নির্মূল হয়ে গিয়েছে। ফলে এখানকার বাঁধ বাঁচাতে বড় পরিকল্পনা নিতে হবে বলে দাবি স্থানীয়দের। কেন্দ্রীয় ফ্লাড ম্যনেজমেন্ট পোগ্রামে এই এলাকাকে বাঁচানো সম্ভব।
ইতিমধ্যেই বর্ষাকাল পড়েছে, নদী ও সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। এই বহু নদীবাঁধ বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। সেগুলির বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পাথরপ্রতিমার জি-প্লট গ্রাম পঞ্চায়েতে গিয়েছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা। এই পঞ্চায়েতের গোবর্ধনপুর এলাকার বাসিন্দারা খুবই সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। কারণ এখানকার সমুদ্র বাঁধ সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে। পূর্ণিমা ও অমাবস্যার কটালের সময় সমুদ্রের জল বাড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা নোনা জলে প্লাবিত হয়।
বহু ঘরবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বর্ষাকালে এই সমস্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, এখানে একটি স্থায়ী সমুদ্র বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই, এবার সেই দাবি মেনে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ওই এলাকা পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী। স্থানীয় বাসিন্দা অচিন্ত্য বারিক বলেন, ‘প্রায় পাঁচ বছর আগে এই গোবর্ধনপুর এলাকায় ২২ কোটি টাকা ব্যয় করে সমুদ্র বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু দেড় বছরের মধ্যে সেই বাঁধ ভেঙে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।