নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেট্রোর কাজের জন্য সপ্তাহ শেষে টানা ৬০ ঘণ্টা বন্ধ আছে চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার। সল্টলেক, সেক্টর ফাইভ, নিউটাউনগামী গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বেলেঘাটা বিল্ডিং মোড় ও সল্টলেক ব্রডওয়ে দিয়ে। চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার বন্ধ ও বিকল্প রুটের কারণে শনিবার দিনভর যানজট তৈরি হয় বাইপাসে। ফলে প্রবল দুর্ভোগ পোহাতে হয় মানুষকে।
শনিবার জ্যামজট মারাত্মক চেহারা নেয়। রুবিমুখী ফ্ল্যাঙ্কে যাওয়ার গাড়ির লাইন পৌঁছে যায় বেঙ্গল কেমিক্যাল পর্যন্ত। অন্যপাশে চিংড়িঘাটার ক্যাপ্টেন ভেড়ি পর্যন্ত উল্টোডাঙামুখী যানবাহনকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। দু’ক্ষেত্রেই সিগন্যালের ছাড়পত্র পেতে লেগেছে দীর্ঘ সময়। ফ্লাইওভার বন্ধের জেরে সল্টলেক, নিউটাউনগামী যানবাহনের চাপ বাড়ে দু’টি সিগন্যালের উপর। একটি চিংড়িঘাটা ক্রসিং ও অন্যটি বেলেঘাটা বিল্ডিং মোড়। এই মুখে যানবাহনের চাপ কমানোর জন্য বিল্ডিং মোড়ে রুবিমুখী ফ্ল্যাঙ্কের স্টপেজ টাইম বাড়িয়ে দেয় কলকাতা পুলিশ। কিন্তু তাতেও চাপ কমানো সম্ভব হয়নি। রুবিমুখী যাত্রীদের অভিযোগ, নির্ধারিত সর্বোচ্চ ৭৯ সেকেন্ডের স্টপেজ টাইম একবার শেষ হলেও চিংড়িঘাটা থেকে যানবাহন আসা থামেনি। ফলে ফের শুরু হয় স্টপেজ টাইমের রি-কাউন্ট। এই রি-কাউন্টের জেরে বিল্ডিং মোড় থেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, বেঙ্গল কেমিক্যাল পর্যন্ত যানজট পৌঁছে যায়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় মানুষকে। এর পাশাপাশি মা ফ্লাইওভারে তিনটি গাড়ি যায় খারাপ হয়ে। এরও প্রভাব পড়ে রাস্তায়। তার জেরে প্রায় স্তব্ধ হয়ে পড়ে পার্ক সার্কাসগামী ফ্ল্যাঙ্ক। এই ঘটনার জেরেও রুবিমুখী যান চলাচলও ব্যাহত হয়। রবিবারও চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার বন্ধ থাকায় বাইপাসের দু’টি ফ্ল্যাঙ্কে যানজটের সম্ভাবনা থাকছে। লালবাজার সূত্রে খবর, রবিবার বাইপাসে যানবাহনের সংখ্যা কম থাকে। ফলে শনিবারের তুলনায় জ্যাম কিছুটা কম থাকবে বলে