বাথরুমের চেম্বারে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু বাবা-ছেলের, আশঙ্কাজনক আরও এক
News18 বাংলা | ১৩ জুলাই ২০২৬
নির্মীয়মাণ আবাস যোজনার পাকা বাড়ির বাথরুমের চেম্বারে কাজ করতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল বাবা ও ছেলের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও একজন। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ২ নম্বর ব্লকের কৃষ্ণপুর এলাকার গোয়াডাঙ্গা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতরা হলেন সুনীল পণ্ডিত(৫৯) ও তাঁর ছেলে লক্ষণ পণ্ডিত (৩২)। পরিবারের দুই পুরুষ সদস্যের মৃত্যুতে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের বক্তব্য, আজ বেলা নাগাদ বাড়ির বাথরুমের ঢালাই চেম্বারের স্ল্যাব খুলতে গিয়েই এই বিপত্তি ঘটে। প্রতিবেশীদের অনেকের অভিযোগ, স্থানীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে শুরু করে হাসপাতালেও সময়মতো অক্সিজেনের সংকট ছিল।
এর আগে গত বছর ২ সেপ্টেম্বরও সেপটিক ট্যাঙ্কের জন্যে কুয়ো খুঁড়তে গিয়ে মৃত্যু হয় ২ শ্রমিকের। ঘটনাস্থলে মেমারি থানার পুলিশ, দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা আসেন। পরে দেহ দু’টি উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যালে ময়নাতদন্তের জন্যে মেমারি থানার পুলিশ পাঠায়। ঘটনাটি ঘটেছিল পূর্ব বর্ধমানের মেমারির উত্তর কৈলাশপুরে।
কুয়ো খোঁড়ার জন্য সেপটিক ট্যাঙ্কের নীচে নামেন দু’জন। নামার পরই তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপরে থাকা তিন শ্রমিক ও বাড়ির মালিকের ছেলে অসুস্থ হওয়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে গেলে তাঁরাও অসুস্থ হয়ে পরেন।
খবর দেওয়া হয় জেলা বিপর্যয় মেকাবিলা দফতর ও দমকলকে। অসুস্থদের দুই শ্রমিককে উদ্ধার করতে নামা চারজনকে কোনও রকমে উদ্ধার করে মেমারি গ্রামীন হাসপাতালে পাঠানো হয়। কুয়োর নীচে থাকা অসুস্থ দু’জনকে অক্সিজেন মাক্স পরে ফায়ার বিগ্রেডের কর্মীরা উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেলে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকে মৃত ঘোষণা করেন।