ঝাড়গ্রামের দহিজুড়িতে রবিবার রাত প্রায় ১০টা নাগাদ গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হলেন বীরভূমের দুই যুবক। আহতদের নাম শুভদীপ ঘোষ এবং অমিত মণ্ডল। অমিত মণ্ডলের বাড়ি বীরভূমের দুবরাজপুরে। জানা গিয়েছে, দু’জনই বীরভূমের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ঝাড়গ্রাম থেকে দহিজুড়ি যাওয়ার পথে একটি পুলিশ ক্যাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশকর্মীদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁদের বাইক আটকান হয়। পুলিশ তাঁদের সঙ্গে কথা বলার সময় হঠাৎ তাঁদের কাছে থাকা অস্ত্র থেকে গুলি বেরিয়ে যায়। তাতেই দু’জন আহত হন।
পুলিশের তরফে জানান হয়েছে, অসাবধানতাবশত বন্দুক থেকে অটোমেটিকভাবে গুলি বেরিয়ে পড়ে। সেই কারণেই এই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, আহতদের মধ্যে একজনের পা ফ্র্যাকচার হয়েছে। অপরজনের ডান দিকের পিঠে এবং বাঁ পায়ে গুলি লেগেছে বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, শুভদীপ ঘোষ ও অমিত মণ্ডল দু’জনেই লালগড় এলাকার কে কে মিনারেলসের বালি খাদানে কাজ করেন। সংস্থার মালিক উত্তম কেশি, তাঁর বাড়ি পানাগড়ে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ঝাড়গ্রামে সাইবার স্ক্যামের ঘটনায় ২ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ স্ক্রিন শেয়ার করার ফাঁদে পা দিয়ে টাকা খোয়ান এক ব্যক্তি৷ ফোনে কথা বলতে বলতে স্ক্রিন শেয়ার করার ফাঁদে পড়ে ৯৯ হাজার টাকা খুইয়েছিলেন ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুরের বাসিন্দা শ্রাবণ কুমার সেনাপতি। ২০২৪ সালের সেই ঘটনায় প্রায় দুই বছর পর মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে ঝাড়গ্রাম জেলা সাইবার থানার পুলিশ। জানা যায়, ধৃতের নাম সাদ্দাম মিয়া। পুলিশ তাকে বীরভূম জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার অভিযুক্তকে ঝাড়গ্রাম আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের জুন মাসে গোপীবল্লভপুরের বাসিন্দা শ্রাবণ কুমার সেনাপতির মোবাইলে একটি ফোন আসে। ফোনে নানা অছিলায় তাকে মোবাইলের স্ক্রিন শেয়ারিং অ্যাপ চালু করতে বলা হয়। প্রতারকদের কথায় স্ক্রিন শেয়ার করতেই ওটিপি (OTP) এবং ব্যাংকের সমস্ত গোপন তথ্য তাদের হাতে পৌঁছে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়।