• ৩০ দিন আটক: মন্ত্রীদের অপসারণ না করে সাসপেন্ডের প্রস্তাব যৌথ সংসদীয় কমিটির
    বর্তমান | ১৩ জুলাই ২০২৬
  • নয়াদিল্লি: গুরুতর অপরাধের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী যদি টানা ৩০ দিন গ্রেপ্তার বা আটক অবস্থায় থাকেন, তাহলে তিনি সরাসরি পদচ্যুত হবেন। কেন্দ্রের আনা ১৩০ তম সংবিধান সংশোধনী বিলের এই ধারায় সায় দিল না যৌথ সংসদীয় কমিটি (জেপিসি)। এর বদলে কমিটি তাদের প্রস্তাবে জানিয়েছে, পদচ্যুত নয়, এমন ঘটনা ঘটলে মন্ত্রীদের সাসপেন্ড করা হোক। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী মামলা থেকে রেহাই পেলে অথবা নির্দোষ প্রমাণিত হলে বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলার অগ্রগতি না হলে ওই সাসপেনশনও স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ করে দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে মোট পাঁচটি প্রস্তাব দিয়েছে তারা। বিরোধীরা আগেই অভিযোগ করেছিল, এই বিলকে হাতিয়ার করে বিরোধী শাসিত রাজ্য সরকারগুলিকে ফেলে দিতে চাইছে বিজেপি। বেশিরভাগ বিরোধী দলই যৌথ সংসদীয় কমিটি বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়। চলতি সপ্তাহেই কমিটির প্রস্তাব গৃহীত হতে পারে। ২০ জুলাই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সেখানেই এই বিলটি পাসের জন্য পেশ হতে পারে।

    গত বছরের আগস্টে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রথম বিলটি পেশ করেন। এরপরই বিলটি পরীক্ষার জন্য সাংসদ অপরাজিতা সরঙ্গীর নেতৃত্বাধীন ৩১ সদস্যের যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদ্দেশ্যে যাতে এই আইনের অপব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু সতর্কতামূলক পর্যবেক্ষণ জেপিসি যুক্ত করতে পারে বলে আগেই জানা গিয়েছিল। কমিটি যে প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে ‘রিমুভাল’-এর বদলে ‘সাসপেনশন’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া গুরুতর অপরাধের সংজ্ঞাও নির্ধারণ করে বলা হয়েছে, যে সব অপরাধের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর বা তার বেশি মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে, সেগুলিই এর আওতায় আসবে। সংশ্লিষ্ট মামলাগুলির বিচার যাতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ফাস্ট-ট্র্যাক বা বিশেষ আদালতে হয়, তার জন্যও সুপারিশ করেছে জেপিসি।
  • Link to this news (বর্তমান)