• বৃষ্টি হলেই স্কুল চত্বর পুকুর হয়ে যায়! ডোমকলে ক্ষোভ
    বর্তমান | ১৩ জুলাই ২০২৬
  • সংবাদদাতা, ডোমকল: নেই পর্যাপ্ত নিকাশি। বৃষ্টি হলেই স্কুল প্রাঙ্গণ পরিণত হয় জলাশয়ে। সেই জমা জল পেরিয়েই ক্লাসরুমে ঢুকতে হয় পড়ুয়াদের। একইভাবে নোংরা জল ডিঙিয়ে পৌঁছাতে হয় শিক্ষক থেকে মিড-ডে মিলের রান্নার কর্মীদের। অভিযোগ, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ডোমকলের ৬৮ নম্বর শীতলনগর প্রাথমিক স্কুলে এমনই দুর্ভোগ চলছে। দীর্ঘদিন সমস্যার সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে  অভিভাবকদের মধ্যে। যদিও প্রশাসন সূত্রের দাবি, সমস্যার বিষয়টি নজরে এসেছে। সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে।

    ডোমকল ব্লকের রায়পুরের কুপিলায় রাস্তার ধারে অবস্থিত ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের বর্ষা থেকেই বৃষ্টি হলেই স্কুল চত্বরে জল জমার সমস্যা শুরু হয়। আশপাশের এলাকার তুলনায় স্কুল চত্বর নিচু হওয়ায় আশপাশের কিছুটা অংশের জল এসে সেখানে জমে থাকে। কিন্তু সেই জল বেরিয়ে যাওয়ার কোনো স্থায়ী নিকাশি না থাকায় স্কুল চত্ত্বরেই ফাঁকা জায়গায় জমে জল। 

    ফলে বৃষ্টি হলেই জমা জল পেরিয়ে ক্লাসে যেতে হয় পড়ুয়াদের। একইভাবে শিক্ষক থেকে মিড-ডে মিলের রান্নার কর্মীদেরও জল ডিঙিয়েই যাতায়াত করতে হয়। এই জমা জলের কারণে রান্নার কাজেও নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে  বলে অভিযোগ।

    স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একই সমস্যা চললেও এখনও পর্যন্ত স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ চোখে পড়েনি। ইতিমধ্যেই বর্ষা শুরু হয়েছে। তার উপর বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপও বাড়ছে। এক অভিভাবক বলেন, বৃষ্টি হলেই স্কুলে হাঁটু সমান জল জমে। এতে ছোটো, ছোটো পড়ুয়াদের খুব অসুবিধা হয়। দ্রুত জল নিষ্কাশনের পাশপাশি স্থায়ী নিকাশির ব্যবস্থা প্রয়োজন। প্রধান শিক্ষক নিউটন সাহা বলেন, এবার বৃষ্টি হলেই জল জমে যাচ্ছে স্কুল চত্ত্বরে। এতে পড়ুয়া থেকে শুরু করে সবাইকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য স্কুল চত্বর মাটি ফেলে উঁচু  করা প্রয়োজন। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)