নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বারাকপুরে চিড়িয়ামোড় পার করলেই শুরু হয় ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকা। ক্যান্টনমেন্ট এলাকাতেই রয়েছে বারাকপুর কোর্ট, প্রশাসনিক ভবন, বিভিন্ন নামী স্কুল, কলেজ, মঙ্গল পান্ডে পার্ক সহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই এলাকায় কমার্শিয়াল গাড়ি যাতায়াত করলে দিতে হবে ‘বার্ষিক প্লাইং চার্জ’। ইতিমধ্যেই সেই ফি নেওয়া শুরু হয়েছে। অটো, টোটো সহ তিন চাকার গাড়ি পিছু ফি বছরে ১০০ টাকা। চার চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে এই ফি ১৫০ টাকা। ছ’চাকার গাড়ি থেকে নেওয়া হবে বছরে ২০০ টাকা। প্রশাসনিক ভবনের উলটোদিকে কাউন্টার খুলে ফি নিতে শুরু করেছেন বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের কর্মীরা। লাগানো হয়েছে নোটিস বোর্ড।
তবে এই ফি নিয়ে আপত্তি রয়েছে অটো-টোটো চালকদের। মাঝেমধ্যেই ক্ষোভ-বিক্ষোভের ঘটনা ঘটছে। ক্ষোভ জানাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরাও। তাঁদের প্রশ্ন, কেন এই ফি নেওয়া হবে? এরপর তো তাহলে পুরসভাগুলি এই ধরনের ফি চালু করবে। সব জায়গায় টাকা দিতে গেলে মালিকেরই বা কী থাকবে, আর চালকই বা কত পাবেন? অবিলম্বে এসব বন্ধ হওয়া উচিত। এই ফি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ যাত্রীরাও। এমনকি, সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই ফি নিয়ে লেখালেখি চলছে। বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, এটা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় যেতে গেলে কমার্শিয়াল গাড়িকে এই চার্জ দিতে হবে। এটা বার্ষিক চার্জ। এখন প্রশ্ন, একবার ফি দেওয়ার পর সারা বছর কি সেই কুপন জমিয়ে রাখা সম্ভব? কেউ যদি ওই কাগজ হারিয়ে ফেলেন, তাহলে কি ফের তাঁকে ফি দিতে হবে? এই প্রথা বন্ধ হওয়া উচিত। অবিলম্বে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত বলে মনে করছেন সাধারণ যাত্রীরা।