• চলতি বর্ষায় সল্টলেকের বহু রাস্তারই বেহাল দশা, চলছে সংস্কারের কাজও
    বর্তমান | ১৩ জুলাই ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সল্টলেকে বেহাল রাস্তার সমস্যা দীর্ঘদিনের। নাগরিকরাও পালাবদলের পর রাস্তা সংস্কার নিয়েই দাবি তুলেছিলেন। বিধাননগরের বিধায়ক তথা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজে উদ্যোগ নিয়ে শুরু করেছেন রাস্তা সংস্কার। অনেকগুলি জায়গায় কাজও হয়েছে। তবে চলতি বর্ষার সময় এখনও বহু রাস্তার অবস্থা বেহাল। বড়ো বড়ো গর্তে ভরে উঠেছে। সেসব খানাখন্ডে বর্ষার জল জমে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ হোক। তা না হলে বৃষ্টির জন্য আরও খারাপ অবস্থা হবে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরোদমে কাজ চলছে। বর্ষার মধ্যেও কীভাবে কাজ করা যায়, সেই মতো পদক্ষেপ করা হয়েছে, যাতে শহরের নাগরিকদের কোনো সমস্যা না হয়।

    সল্টলেক শহরের ভিতরে একাধিক রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল। তৃণমূল জামানায় রাস্তার হাল ফেরানোর দাবি উঠলেও তা পূরণ হয়নি। এতকাল শুধু জোড়াতাপ্পি দিয়েই কাজ চলেছে। তারপরও সংস্কার শেষ হওয়ার আগেই রাস্তার অন্যদিক বেহাল হয়ে যেত। রাজ্যে পালাবদলের পর গত ১৮ মে সল্টলেকে পুরসভা ভবনে তৎকালীন মেয়র, কাউন্সিলার এবং আধিকারিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছিলেন বিধাননগর এবং রাজারহাট-নিউটাউনের দুই বিধায়ক যতাক্রমে ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং পীযূষ কানোরিয়া। দু’জনই বর্ষার আগে বেহাল রাস্তা দ্রুত সংস্কারের দাবি তুলেছিলেন। শারদ্বতবাবু গত ১ জুন মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়ে ২ জুনই পুরসভার কমিশনারের সঙ্গে রাস্তা সংস্কার নিয়ে বৈঠক করেছিলেন। তারপরই কাজ শুরু হয়।

    বেশিরভাগ রাস্তায় বুলডোজার দিয়ে পুরানো ভাঙা পিচ তুলে দেওয়া হচ্ছে। তারপর নতুন করে পিচ দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে যেসব এলাকায় ফুটপাতের অবস্থা খারাপ, সেই ফুটপাত বাঁধানো হচ্ছে। জিডি বাস টার্মিনাসের সামনের রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। সেখানে রাস্তা সংস্কার হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও পূর্তভবন থেকে বিধাননগর উত্তর থানা যাওয়ার রাস্তায় বহু জায়গা ভেঙেচুরে একাকার। সিজিও কমপ্লেক্সের সামনের রাস্তাও বেহাল। পূর্তভবনের সামনে স্টোনচিপস নামানো হয়েছে। 

    পুরসভার দাবি, যে রাস্তাগুলি বেশি খারাপ, সেগুলি আগে সংস্কার করা হয়েছে। বাকি জায়গায়ও শীঘ্রই কাজ হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)