• মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেষ্ট! মমতার হাত ছাড়তেই অনুব্রতর অফিস থেকে ‘আউট’ অভিষেক
    News18 বাংলা | ১৩ জুলাই ২০২৬
  • তৃণমূলে শিবির বদল করেছেন অনুব্রত মণ্ডল৷ মমতার হাত ছেড়ে তিনি যোগ দিতে চলেছেন ঋতপন্থী তৃণমূলে৷ শিবির বদল করেই এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুব্রত মণ্ডল৷ পাশাপাশি, তাঁর বোলপুরের অফিস থেকে সরিয়ে দিলেন অভিষেকের ছবি৷

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে অনুব্রত বলেন, ‘‘শুভেন্দু খুব লড়াকু ছেলে৷ তৃণমূল থেকে নন্দীগ্রামে লড়াই করেছে৷ শুভেন্দু আমার জুনিয়র হতে পারে, কিন্তু পটু ছেলে৷ শুভেন্দুকে ৫ টা জেলার পর্যবেক্ষক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমনি করেননি৷ কাজের দৌলতেই করেছে৷’’

    কেন মমতার হাত ছাড়লেন তাঁর প্রিয় কেষ্ট? এ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে৷ অভিষেকের বিরুদ্ধে সরাসরি এখনও পর্যন্ত কিছু না বললেও তৃণমূলের পতনের কারণ হিসেবে আইপ্যাককে দুষেছেন অনুব্রত৷

    অনুব্রত মণ্ডল বলেন, ‘‘দলের সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বলব। আবোল তাবোল লোকের নাম নেব না। সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলটা উনি তৈরি করেছিলেন। ওনার বোঝা উচিত ছিল, উনি অভিভাবক, আমি ঠিক না থাকলে আমার বাড়ি, আমার সংসার নষ্ট হবে। বোঝা উচিত ছিল, দলটা শেষ হয়ে যাচ্ছে আস্তে আস্তে। শুভেন্দু ও তো যেত না, ও আইপ্যাকের জন্য গেল।’’ এবার দেখা গেল নিজের অফিস থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি (কাট-আউট) সরিয়ে দিয়েছেন অনুব্রত৷ তবে মমতার ছবি সরালেন না কেষ্ট৷

    অনুব্রতের বিস্ফোরক মন্তব্য, ‘‘একটা চোর -ডাকাত আইপ্য়াক দলটাকে শেষ করে দিল, আর মানুষ চিনতে ভুল করল..দিদি মানুষ চিনতে ভুল করল..যাঁকে ইচ্ছে টিকিট দিল..যাঁরা খেটে দল করল তাঁদেরকে ভুলে গেল..আমি কেন দিদিকে জানাব, আমি ঋতব্রত দলে গেলাম..আমি যখন জেলে ছিলাম, তখন আমার নাম করে ভোট করিয়েছে-কী অন্য়ায় ছিল আমার..আমি দলের জন্য়ে অনেক কাজ করেছি…আমার অন্য়ায়টা কী…কাজল বিধায়ক হয়ে তার খারাপ প্রভাব দলে পড়েছে…দলটা মমতা তৈরি করেছিল–উনার বোঝা উচিত ছিল, আমি অভিভাবক দলটাকে ঠিক করতে হবে..দলটা শেষ হয়ে যাচ্ছে৷’’ দলে তো সেরকম ভাবে কাজ করার পরিবেশ ছিল না বলেও এদিন মন্তব্য করেন অনুব্রত৷

    ২১ জুলাইয়ে কী তিনি আসবেন? এ প্রশ্ন করা হলে অনুব্রতর উত্তর, ‘‘১০০ বার! একুশে জুলাই আমি কলকাতা যাব৷ ২১ জুলাই একটা তপস্যা৷ ২১ জুলাই একটা সংগ্রাম, একটা আশা৷’’
  • Link to this news (News18 বাংলা)