প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, রেল লাইনের ঠিক পাশেই আচমকা দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে দুটি কন্টেনার। সে সময় সারিবদ্ধ ভাবে আরও বহু ট্রাক দাঁড়িয়ে ছিল। বড়সড় বিপর্যয় এড়াতে তড়িঘড়ি অন্যান্য গাড়ি ও ট্রাকগুলোকে রাস্তার ধার থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়। কন্টেনারে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই চালক সেখান থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয়দের কথায়, প্রাথমিক অনুমান ইঞ্জিন অয়েল বোঝাই একটি ট্রাকে শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। ঘটনার জেরে যান চলাচল ব্যাহত।
হাওড়া-খড়গপুর শাখার সাঁকরাইল রেল স্টেশন সংলগ্ন ধুলোগড় থেকে চাপাতলা রোডের এই রুটটি অত্যন্ত ব্যস্ত। রেললাইন পারাপার করে প্রতিদিন প্রচুর যানবাহন যাতায়াত করে। যাত্রীবাহী টোটো, অটোর পাশাপাশি এই রাস্তায় পণ্যবাহী ছোট বড় ট্রাকের দারুণ চাপ থাকে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর পণ্যবাহী গাড়ির চাপ আরও বাড়ে। ঠিক এমন একটি সময়ে, রাতের অন্ধকারে এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে কন্টেনার দু’টি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায় এবং ওই এলাকায় বেশ কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে আলামপুর ফায়ার স্টেশন থেকে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। কন্টেনারের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ইঞ্জিন অয়েল থাকার ফলে আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে। তবে দমকল সূত্রে জানা গেছে, কন্টেনারে প্রচুর পরিমাণে দাহ্য ইঞ্জিন অয়েল থাকার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তাদের বেশ বেগ পেতে হয়। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও দমকল বাহিনী।