• তামিলনাড়ুতে গো-হত্যার নির্দেশে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের
    এই সময় | ১৩ জুলাই ২০২৬
  • তামিলনাড়ুতে বকরি ইদে বা অন্য কোনও দিনে গো-হত্যায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট সোমবার হাইকোর্টের নির্দেশের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করল।

    বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চ ওই মামলায় অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে। ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, হাইকোর্টের নির্দেশের শেষ প্যারাগ্রাফে, যেখানে রাজ্য জুড়ে নিষেধাজ্ঞা জারির কথা বলা রয়েছে, তা সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস ইস্যু করতে বলেছে।

    প্রায় দু' সপ্তাহ আগে মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়কে চ্য়ালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। মাদ্রাজ হাইকোর্ট তার রায়ে জানিয়েছিল, ১৯৫৮ সালের তামিলনাড় পশু সংরক্ষণ আইনের ৪ নম্বর ধারা বাদে বাকি ক্ষেত্রে গো-হত্য়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ।

    তামিলনাড়ু সরকার মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে জানায়, উচ্চ আদালতের নির্দেশ ১৯৫৮ সালের পশু সংরক্ষণ আইনের পরিপন্থী।

    সূত্রের খবর, ১৯৫৮ সালের ওই আইন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কয়েকটি ক্ষেত্রে গবাদি পশু হত্যা অবৈধ নয়। যদি কোনও গবাদি পশুর বয়স ১০ বছরের বেশি হয় বা ওই পশু যদি প্রজননে এবং কৃষি কাজের ব্যবহারে অক্ষম হয়, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন সাপেক্ষে তাকে হত্যা করা যাবে।

    সোমবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়ের শেষাংশ সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে।

    মাদ্রাজ হাইকোর্টের ২৭ মে তারিখের নির্দেশ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ওই নির্দেশ দেন, বিচারপতি জিআর স্বামীনাথন এবং বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতিরা রায় দেন, কেবলমাত্র নির্দিষ্ট স্লটার হাউসেই পশু হত্যা করা যাবে। একই সঙ্গে বিচারপতিরা তামিলনাড়র মুখ্যসচিব এবং উচ্চ পদস্থ পুলিশ কর্তাদের নির্দেশ দেন, বকরি ইদ বা অন্য কোনও দিন যাতে গো-হত্যা না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। রায়ে এও বলা হয়, হাইকোর্টের রায় ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে যেন রাজ্য জুড়ে সংশ্লিষ্ট অফিসারদের যেন নির্দেশ দেওয়া হয়।

  • Link to this news (এই সময়)