• শিবির বদলেই কালীঘাটের 'অচলায়তন'কে নিশানা সুদীপের!
    আজকাল | ১৩ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল ভোটে হারার পরেও, মমতার মিছিলে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সেই সুদীপ এখন ঋতব্রত শিবিরে। ঋতব্রত শিবিরের গড়া কমিটি অনুযায়ী, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুদীপ রাহা। কোহিনূর চেয়ারম্যান। দু'জনেই আবার মুখপাত্রও।

    এর আগেও, আজকাল ডট ইন-এর কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন সুদীপ। এবার সোজা সোশ্যাল মিডিয়ায়, একেবারে তীব্র আক্রমণ কালীঘাট তৃণমূলকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'বেইমান, গদ্দার, বিশ্বাসঘাতক এইসব ন্যারেটিভ থেকে এবার বেরিয়ে আসুন।' নাম না করলেও, একপ্রকার স্পষ্ট, সুদীপের নিশানা কোনদিকে। তারপরেই ছাত্রনেতা লিখেছেন, তোপ দেগে অভিযোগ করেছেন অবিভক্ত তৃণমূলে, বঞ্চিত করা হয়েছে যোগ্যদের। লিখেছেন, 'আত্মসমালোচনা করুন। যোগ্যদের বঞ্চিত করতে করতে দলটাই তো ক্ষমতা থেকে চলে গেল। আর যাদের বেইমান-গদ্দার বলা হল তারা নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করে মুখ্যমন্ত্রী,শিল্প মন্ত্রী, বিধায়ক হলেন। তারা কেন চলে গেলেন? খুঁজে দেখেছেন? কাদের কথা শুনে সংগুলোকে সামনে রেখে সংগঠনের বারোটা বাজানো হল, খুঁজুন। সবাই খারাপ? সবাই ধান্দাবাজ? ভাবুন।'

    ঋতব্রত শিবিরে সুদীপকে দেখে, অনেকেই হারের পরেও সুদীপের মমতা ব্যানার্জির পাশে দাঁড়িয়ে থাকার কথা মনে করিয়ে দিয়েছিলেন। সুদীপ যেন তাঁর পোস্টে উত্তর দিয়েছেন সেসব সমালোচনারও। লিখেছেন, '৪ঠা মে'র পরেও তো চোয়াল শক্ত করে দাঁড়িয়েছিলাম; তারপরেও ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হল? কোন অপরাধে?  আবেগ-আনুগত্য-ভালোবাসা সব একতরফা হয়? আবেগ যেমন চোখে জল আনে,আবেগ কিন্তু আগুনও জ্বালায়। গালাগাল দেবেন? দিন। কিন্তু যেদিন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাবে, সেদিন আপনিও অচলায়তনের পঞ্চক হবেন। আগাম শুভেচ্ছা রইল।'

    এর আগেও, কালীঘাট তৃণমূলকে তীব্র কতাক্ষ করে, আজকাল ডট ইন-কে সুদীপ জানিয়েছিলেন, 'বেইমান-বিশ্বাসঘাতক না বলে, তাঁরা এবার আত্মসমীক্ষা করুন। তাতে এই জায়গা থেকে উত্তরণ ঘটবে।' দল যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালন করবে, একশ শতাংশ দিয়ে, তা নিয়ে যেমন সাফ বার্তা সুদীপের, একইসঙ্গে বার্তা, 'আমরা কোনও শিবির বদলাইনি। আমরা তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলাম, আছি, থাকব।' শিবির বদলের আগে কি অভিষেকের সঙ্গে কথা বললেন সুদীপ? সেখানেও তাঁর বক্তব্য, 'আমরা সকলেই একটি দলের অংশ। মমতা ব্যানার্জি আমার কাছে চিরকাল শ্রদ্ধার। তিনি আমাদের আগের মুখ্যমন্ত্রী, রাজনৈতিক নেত্রী। আমরা তো চাই, তিনি আমাদের উপদেশ দিন, পরামর্শ দিন। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। ব্যক্তি সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে, আমাদের গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত মানতে হবে।'

     
  • Link to this news (আজকাল)