• হাসপাতালেও পাননি অক্সিজেন! সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে গিয়ে বাবা-ছেলের মৃত্যুতে বিস্ফোরক তথ্য
    প্রতিদিন | ১৩ জুলাই ২০২৬
  • নির্মীয়মাণ আবাস যোজনার একটি পাকা বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে কাজ করতে নেমে অসুস্থ হয়ে পড়েন বাবা ও ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, অসুস্থদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সময়মতো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাওয়া যায়নি। তার ফলে মৃত্যু হয় দু’জনের। একই পরিবারের দুই সদস্যের মৃত্যুতে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোয়াডাঙা গ্রামে নেমেছে শোকের ছায়া।

    মৃতেরা হলেন বছর ঊনষাটের সুনীল পণ্ডিত এবং তাঁর ছেলে লক্ষণ পণ্ডিত। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রবিবার বেলা নাগাদ নির্মীয়মাণ আবাস যোজনার একটি বাড়ির বাথরুমের ঢালাই চেম্বারের স্ল্যাব খুলে পরিষ্কারের কাজ চলছিল। সেই সময় প্রথমে একজন চেম্বারের ভিতরে নামতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করতে আরও দু’জন নামেন। তাঁরাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, অসুস্থদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সময়মতো পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়নি। তার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যায়। শেষমেশ মৃত্যু হয় দু’জনের। আরও এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান, সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসে বাবা ও ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা যাবে। হাসপাতালে অক্সিজেনের বন্দোবস্ত না হওয়ার অভিযোগ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জোর বিতর্ক। স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)