• দল বদলে ফের রাজ্যসভায়, শুভেন্দু-শমীককে নিয়ে মনোনয়ন পেশ সুখেন্দুশেখর-সহ ৩ প্রাক্তন সাংসদের
    প্রতিদিন | ১৩ জুলাই ২০২৬
  • বিকেলে দলবদল, সন্ধ্যায় রাজ্যসভার (Rajya Sabha) টিকিট। তৃণমূলত্যাগী তিন সাংসদের বিজেপিতে যোগ দিয়েই ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়া নিয়ে চর্চা এখনও চলছে। এর মাঝেই তাঁরা রাজ্যসভার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন। সোমবার বিধানসভায় গিয়ে নিজেদের মনোনয়ন পেশ করলেন সুখেন্দুশেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক, সুস্মিতা দেব। এদিন বেলায় প্রথমে বিধানসভায় পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। একই সময়ে সেখানে পৌঁছন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। শুভেন্দু ও শমীককে সঙ্গে নিয়েই তাঁরা জমা দেন মনোনয়ন। সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, এই তিন আসনে কোনও প্রার্থী দিতে পারবে না বিরোধী তৃণমূল। তাই পদ্মপ্রতীকে এই তিনজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফের রাজ্যসভার সাংসদ হতে চলেছেন।

    গত বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই বিকেলে সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে গিয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে দলে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল ছেড়ে আসা সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক। তাঁরা সকলেই জোড়াফুল শিবির থেকে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। কিন্তু ছাব্বিশের ভোটে দলের হতশ্রী দশায় ক্ষোভ উগরে দলত্যাগ করেন এবং রাজ্যসভার পদও ছেড়ে দেন। ওই তিনটি আসন ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় ভোট হচ্ছে আগামী ২৪ জুলাই। কিন্তু সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ, সংসদের উচ্চকক্ষে ছেড়ে আসা তিন আসনে ফিরছেন তাঁরাই। এবার শুধুমাত্র প্রতীক বদল করে। এতদিন ঘাসফুলের জনপ্রতিনিধি ছিলেন। এখন থেকে তাঁরা হবেন পদ্মশিবিরের সাংসদ।

    সোমবার তৃণমূলত্যাগী তিন প্রার্থীর বিধানসভায় গিয়ে মনোনয়ন দেওয়ার কথা ছিল। সেইমতো বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁরা পৌঁছে যান বিধানসভায়। তাঁদের পরপরই যান বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। বিধানসভায় ভানুভক্তের ছবিতে মাল্যদানের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তিন প্রার্থী – সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইকের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর সঙ্গে মনোনয়ন পেশ করতে যান তিনজন। দলের চিহ্ন হিসেবে তাঁদের গলায় ছিল গেরুয়া উত্তরীয়।

    মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, ‘‘রাজ্যসভার সাংসদ পদ আমি ছেড়ে এসেছিলাম। সেই শূন্যপদ পূরণের জন্য আজ ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হয়ে আমি মনোনয়ন জমা দিলাম। সঙ্গে সঙ্গে আমার নির্বাচনী পদ্ধতি শুরু হয়েছে। সেটা শেষের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তার আগে আর কিছু বলব না।” সুস্মিতা দেবের বক্তব্য, ‘‘বিজেপি ও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বার্থে কাজ করব।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)