• ‘৬ মাসের মধ্যেই বুঝতে পারবেন…’, রাজ্যসভায় মনোনয়ন দিয়ে BJP-র ক্ষুব্ধ কর্মীদের কী বার্তা দিলেন সুস্মিতা?
    এই সময় | ১৩ জুলাই ২০২৬
  • রাজ্যসভার উপনির্বাচনের জন্য সোমবার বিধানসভায় মনোনয়ন জমা দিলেন বিজেপির মনোনীত তিন প্রার্থী সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক। এ দিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়ে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরে সুস্মিতা দেব এই সময়কে বললেন, ‘এটাকে আমার নিজের পরিবার বলেই মনে হচ্ছে।’

    রাজ্যে পালাবদলের পরেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেছিলেন তিন সাংসদ। গত বৃহস্পতিবার তিন জনই বিজেপির সল্টলেকের অফিসে গিয়ে শাসক শিবিরে যোগদান করেন। সেদিন রাতেই তিন জনকে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে বিজেপি। এ দিন সুস্মিতা বলেন ‘আজকে আমাদের মনোনয়নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন। বিজেপির অনেক মন্ত্রীরা ছিলেন। তাঁরা আমাদের প্রস্তাবনায় সই করেছেন। সবাই ছিলেন। কারও মধ্যে কোনও অহঙ্কার নেই। সবাই সবার সঙ্গে কথা বলতে পারছেন। এই পরিবেশ দেখে আমি খুব সন্তুষ্ট। আমার খুবই ভালো লেগেছে। এটা আমার একটা পরিবার।’

    এই তিনটি আসনে বিজেপির মনোনীত প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত। চলতি মাসেই বর্ষাকালীন অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হচ্ছে। কয়েকমাস আগেই যে সাংসদরা বিজেপির বিরুদ্ধে প্রশ্ন করতেন, তাঁদেরকেই এ বার সরকারের পক্ষে কথা বলতে হবে। পরিকল্পনা কী? সুস্মিতা বলেন, ‘ট্রেজারি বেঞ্চ হোক ও বিরোধী বেঞ্চ হোক। সরকারের কাছে তথ্য চাওয়াটা প্রত্যেকে সাংসদের অধিকার। সেটা আমরা করব। পশ্চিমবঙ্গ বা অসমের যে যে অসুবিধা আছে, সেগুলি আমরা সংসদে তুলে ধরব।’

    তবে সুস্মিতা-সহ বাকি দুই তৃণমূল সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিয়েই রাজ্যসভায় মনোনীত হওয়ায় নিচুতলার কর্মীদের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। সেই বিষয়ে সুস্মিতা বলেন, ‘কর্মীদের কোনও রাগ-অভিমান থাকলে সেটা স্বাভাবিক। তাঁদেরকে দোষ দেওয়া যায় না। ওঁরাই ঘাম-রক্ত দিয়ে, মার খেয়ে আজ পার্টিকে সরকারে এনেছে। ওদের ভালোবাসা থাকবে পার্টির প্রতি। কিন্তু ছয় মাসের মধ্যে কর্মীরাও বুঝতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখেই এটা করা হচ্ছে।’

  • Link to this news (এই সময়)