• বিদেশ ঘুরে 'দিদি'র ঘরে বাবুল! কালীঘাটে কোন বার্তা?
    আজকাল | ১৪ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূলের অবস্থা ছন্নছাড়া। দুই শিবির। দাবি এক। লক্ষ্য, দলের নাম-তহবিল-প্রতীক। জল গড়িয়েছে আদালত-কমিশন সর্বত্র। বেশিরভাগ নেতারাই  মমতার ছাত ছেড়ে ভিড়েছেন ঋতব্রত শিবিরে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে দেখা গেল বাবুল সুপ্রিয়কে। রাজ্যসভায় মমতা তাঁকে পাঠিয়েছিলেন সাংসদ করে। ঠিক সেদিন তিনি মমতার বাড়িতে, যেদিন রাজ্যসভার তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিজেপির হয়ে। 

    কী বলছেন বাবুল সুপ্রিয়? কোথায় ছিলেন এতদিন? সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে বাবুল মনে করিয়েছেন, মমতার বাড়ির রবীন্দ্রজয়ন্তীতে তিনি হাজির হয়েছিলেন মেয়েকে নিয়ে। মাঝে গিয়েছিলেন বিদেশ। সঙ্গেই জানিয়েছেন, মাঝের সময়কালে ডেরেক ও'ব্রায়েনের সঙ্গে যোগাযোগে ছিলেন। কী বলছেন ঋতব্রতশিবির নিয়ে? বাবুল হিন্দিতে যা বলেন, তাঁর বাংলা অর্থ, 'শত্রুতা করলে ভাল করেই করো, কিন্তু এতটুকু জায়গা ছেড়ে দাও, যাতে চোখে চোখ পড়লে লজ্জা পেতে না হয়।' ঋতব্রতকে রাজ্যসভায় দেখেছেন বাবুল। সেই সময়ের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, 'ওকে আমি রাজ্যসভায় দেখেছি, কীভাবে সিপিএম ওকে ছুঁড়ে ফেলেছিল।' শুধরে যাওয়ার বার্তাও দেন, একইসঙ্গে নিজের নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে, ইস্তফা দিয়ে, আবার জিতে আসার চ্যালেঞ্জও দেন বাবুল।

    সুখেন্দু-সুস্মিতা-প্রকাশ প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন বাবুল। বলেন, 'কিছু বলার নেই। ওঁদের ভাবনায় এটাই ছিল। প্রথমে এমন ভাব দেখালেন, যেন দলের কাজে কতটা বিরক্ত, কিন্তু ভিতরে কী চলছিল তা প্রকাশ্যে। দিনে দিনে আরও প্রকাশ্যে আসবে।' 

    আসল তৃণমূল কে? কার হাতে থাকবে দলের নাম-প্রতীক-তহবিল। কমিশন দু'পক্ষের কাছেই নথি চেয়েছিল। প্রথমে ডেডলাইন দেওয়া হয় ৬ জুলাই। বিকেল। টিম কালীঘাট নথি জমা দিলেও, অতিরিক্ত সময় চায় ঋতব্রত শিবির। প্রথম ডেডলাইনের মধ্যেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষ গিয়ে নথি জমা দেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের বক্তব্যও জানান। অভিযোগ, ১০ জুলাইয়ের মধ্যে নথি জমা দেওয়ার ডেডলাইনও টিম ঋতব্রত নাকি পেরিয়ে গিয়েছে। সোমবার, মহুয়া জানান, এবার আসরে নেমেছেন মমতা খোদ। সেই পরিস্থিতিতেই 'দিদি'র পাশে বাবুল, পৌঁছলেন কালীঘাটে। 
  • Link to this news (আজকাল)