• ঐতিহ্যের স্বীকৃতির পর তারাপীঠের রথে ৫ লক্ষ টাকার অনুদান, জাঁকজমকে সাজছে রথযাত্রা
    News18 বাংলা | ১৪ জুলাই ২০২৬
  • বীরভূম জেলার সাধক বামদেবের অন্যতম তীর্থভূমি তারাপীঠ মা তারার মন্দির। আর এই তারাপীঠ মন্দিরের রথযাত্রা এবার নতুন মাত্রা পেতে চলেছে। বাংলার ২৫টি ঐতিহ্যবাহী রথের তালিকায় মা তারার রথ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর রাজ্য সরকার তারাপীঠ মন্দির কমিটির সেবাইত সমিতির জন্য ৫ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান দেওয়ার জন্য ঘোষণা করেছে। সেই অনুদানের অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হবে এবং আগামী বৃহস্পতিবার রথযাত্রা কীভাবে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    তারাপীঠ মন্দির কমিটির আহ্বায়ক তারকনাথ চ্যাটার্জি তিনি জানান “তারাপীঠের ঐতিহ্যবাহী রথের জন্য নতুনভাবে রথ নির্মাণ অনেকদিন থেকেই হচ্ছে, সরকার থেকে যে অনুদান দেওয়া হচ্ছে সেটা রথ তৈরির জন্য নয় বরং রথকে ঐতিহ্যবাহী এবং আকর্ষণীয় গড়ে তোলার জন্য। সরকারি অনুদানের টাকায় আমরা রথ, তারাপীঠ মন্দির এবং মন্দির সংলগ্ন আশেপাশে যে কয়েকটি মন্দির রয়েছে সেগুলি সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলা হবে।”

    তিনি আরও জানান”পুরো মন্দির আলোকসজ্জা সজ্জিত হবে, যে রাস্তা দিয়ে মা তারার রথ যাবে সেই রাস্তায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাইকে মা তারার গান বাজানো হবে, তীর্থযাত্রী যারা আসবেন তাদের জন্য প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা থাকবে, ভক্তদের মধ্যে সুগন্ধি স্প্রে ছেটানোর ব্যবস্থা করা হবে, হরিনাম সংকীর্তন এর দল থাকবে, মেডিকেল ক্যাম্প এবং এম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা থাকবে, এছাড়াও চিন্তা-ভাবনা রয়েছে তারাপীঠের বিভিন্ন রাস্তায় বড় স্কিন লাগিয়ে রথ যাত্রা লাইভ দেখানো হবে।”

    প্রসঙ্গত বহু বছর ধরে চলে আসা পুরনো রথ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় শাল ও সেগুন কাঠ দিয়ে নতুন রথ নির্মাণ চলছে তারাপীঠ মন্দির কমিটির নিজস্ব খরচে। পুরনো রথের ঐতিহ্য বজায় রাখতে শুধুমাত্র দু’টি চাকা ও ধুরি সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বাকি প্রায় সম্পূর্ণ কাঠামো উন্নত মানের সেগুন কাঠ দিয়ে নতুন করে নির্মাণ করা হচ্ছে। রথটিকে আরও মজবুত, নিরাপদ এবং নান্দনিকভাবে তৈরি করার কাজ ইতিমধ্যেই শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)