আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিধানসভা শোচনীয় পরাজয়ের পরই দল ছেড়েছেন তৃণমূলের ২০ জন লোকসভার সাংসদ। যোগ দিয়েছেন, এনসিপিআই-তে। লোকসভায় এনসিপিআই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-এর শরিক। এই এনসিপিআই-এর নেতা হচ্ছেন তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' সাংসদ সুদীপ ব্যানার্জি। জানা গিয়েছে, সোমবারই (১২ জুলাই, ২০২৬) লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সুদীপ ব্যানার্জি ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
উল্লেখ্য, সুদীপ এর আগে তৃণমূলের লোকসভার নেতা ছিলেন। কিন্তু তাঁর অসুস্থতার কারণে ওই পদে বসানো হয়েছিল দলের সর্বভারতী সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জিকে। যা নিয়ে বহু চর্চা হয়েছিল।
এছাড়, কল্যাণ ব্যানার্জিকে সরিয়ে লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্যসচেতক করা হয়েছিল কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। কিন্তু, বাংলার বিধানসভা ভোটের বেরনোর পর পরই কাকলিকে ওই পদ থেকে বাতিল করেন মমতা ব্যানার্জি। ফের ফিরিয়ে আনা হন দলের আইনজীবী নেতা কল্যাণকে।
আগামী ২০ জুলাই থেকে সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু। তার আগেই ঘর শক্তিশালী করে গুছোতে মরিয়া তৃণমূল থেকে বেরিয়ে আসা ২০ জন সাংসদ। এবার ঠিক হয়ে গেল এনসিপিআই-এর লোকসভার নেতাও।
এখন প্রশ্ন হল, বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ ব্যানার্জি এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েই বড় পদ পেলেন। কী হবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও শতাব্দী রায়ের? কারণ, কাকলি বেশ কয়েক মাস তৃণমূলের লোকভার মুখ্যসচেতকের দায়িত্বভার সামলেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জয়ের পরই মমতা ব্যানার্জির সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন। মূলত তাঁর দৌত্যেই তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' সাংসদরা তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। কাকলিই জানিয়েছিলেন যে, তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' ২০ সাংসদের এনসিপিআই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকে সমর্থন করবে ও এই জোটের সরিক হবে। ফলে দলে কাকলি-ও বড় দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জোর চর্চা।
অন্যদিকে শতাব্দী রায় ছিলেন লোকসবায় তৃণমূলের ডেপুটি লিডার। তিনিও এখন এনসিপিআই-তে। তাঁকেও ওজনদার পদ দেওয়া হয় কিনা সেদিকেও নজর থাকবে