• মৎস্যজীবীদের জীবনের আসল লড়াই এবার পর্দায়, উপকূলের বিপদ নিয়ে বড় বার্তা
    News18 বাংলা | ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ঐতিহাসিক শহর ডায়মন্ড হারবারের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পরিবেশকে জনসমক্ষে তুলে ধরতে ‘হারবার জ্যাম’-এ অংশগ্রহণ করলেন বিশিষ্টরা। সাম্প্রতিক সময়ের গায়ক, চিত্রশিল্পী, কবি সাহিত্যিকদের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন প্রবীনরাও। আয়োজকদের দাবি ডায়মন্ডহারবারের বুকে দাঁড়িয়ে এই হারবার জ্যাম, স্থানীয় শিল্পীদের চেনা ও বোঝার জন্য করা হয়েছে।

    প্রথাগত শিক্ষার বাইরে আরও কিছু জানাতে গান, বাজনা, ছবি কবিতা দিয়ে সমাজকে চিনতে ও চেনাতে এই উদ্যোগ। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই। উল্লেখ্য এখানে মৎস্যজীবীদের জীবনের উপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শনী হয়েছে। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা কীভাবে জলের সঙ্গে জীবনকে একাত্ম করে রাখেন, কীভাবে জীবনের বেশিরভাগ সময় জলেই কাটিয়ে দেন, তা উঠে এসেছে তথ্যচিত্রের মাধ্যমে‌। যা দেখে খুশি সকলেই‌। উপকূলের জলবায়ু পরিবর্তন, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং তার ফলে মৎস্যজীবীদের জীবনে কি প্রভাব পড়ছে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    আলোচনা শিবিরের পাশাপাশি এবং সাহিত্য সম্মেলন, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, স্থানীয় শিল্পীদের গান পরিবেশন সহ আরও একাধিক কর্মসূচি পালন করা হয়। আয়োজকদের দাবি, ‘হারবার জ্যাম মানেই গায়ক, শিল্পী ও সংস্কৃতি প্রেমীদের মিলন উৎসব। মিউজিক ও আর্টের পাশাপাশি সমাজ ও সংস্কৃতিতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সচেতনতা শিবির এবং শিশুদের জন্য কর্মশালার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

    ফোটোগ্রাফি প্রদর্শনীর মাধ্যমে ডায়মন্ড হারবার ও সংলগ্ন এলাকার শিল্প, লোকাচার ও ইতিহাসকে মানুষের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। এ নিয়ে রাকেশ মহাপাত্র জানান, ‘গান, ছবি, কবিতা যা কিছু আমাদের কাছে আছে সেগুলি এই মুহুর্তে বেঁচে থাকার রসদ হোক। শুধু ডায়মন্ড হারবারের নয় গোটা পৃথিবীর বেঁচে থাকার রসদ হোক এই শিল্প সংস্কৃতি।’ এই হারবার জ্যাম ভবিষ্যতেও নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যেতে চায় উদ্যোক্তারা। ফলে আগামীতে আরও বড় কর্মসূচি নিতে চায় তারা।
  • Link to this news (News18 বাংলা)