• পুরাতন মালদহ পুর এলাকায় বন্ধ পানীয় জল সরবরাহ, চরম দুর্ভোগ
    বর্তমান | ১৪ জুলাই ২০২৬
  • সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহে মহানন্দা নদীতে জলস্তর অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ভেসে আসছে প্রচুর কচুরিপানা। এবং সেইসঙ্গে পলিমাটি। মহানন্দা নদীর ধারে থাকা প্লান্টে প্রচুর কচুরিপানা ও পলিমাটি চলে আসায় ইনটেক থেকে জল উত্তোলন করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। সেজন্য সোমবার সকাল থেকেই পানীয় জল পেলেন না পুরাতন মালদহ শহরের বাসিন্দারা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অবশ্য কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে পুরসভা। সমস্যার সমাধানে কলকাতা  থেকে মিস্ত্রি আসতে পারে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। সমস্যা সমাধানে পুরসভায় দফায় দফায় আলোচনা চলছে।

    পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবার বিকেলে জলের প্লান্ট পরির্দশন করেন খোদ পুরসভার চেয়ারম্যান বিভূতিভূষণ ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, শত্রুঘ্ন সিনহা, শ্যাম মণ্ডল সহ একাধিক কাউন্সিলার, ইঞ্জিনিয়ার, পুরসভার পদস্থ কর্তারা। তাঁরা প্লান্টের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। সুষ্ঠু সমাধানের জন্য কী কী করতে হবে, সেগুলি তাঁরা খোঁজ নেন। মানুষের কাছে জল দ্রুত পৌঁছে দিতে একাধিক পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে কাউন্সিলাররা জানিয়েছেন। 

    এদিকে, পানীয় জলের পরিষেবা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই পুরসভা এলাকায় সমস্যা হচ্ছে। কিছুদিন আগেও ক্লোরিন না থাকায় দু’দিন জল পায়নি শহরবাসী। এদিন সকাল থেকে ফের জল না পেয়েই মানুষের নিত্যদিনের কাজকর্ম ব্যাহত হয়। অনেকে এনিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অনিল পাল এবং নিশিকান্ত পাণ্ডে বলেন, জলের অপর নাম জীবন। কিন্তু আমরা পাচ্ছি না। পুরসভা বিষয়টি দেখুক। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের জল প্রকল্পটি রয়েছে মহানন্দা নদীর ধারে। মহানন্দা থেকে জল তুলে পরিশোধন করা হয়। এরপর পুরসভার ২০টি ওয়ার্ডে দিনে ও রাতে দু’বেলা জল পরিষেবা দেওয়া হয়। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন,  ইনটেক থেকে জল তুলতে হয়। মহানন্দায় জল বাড়াতে সেই ইনটেক কচুরিপানা ঘিরে ফেলেছে। সেইসঙ্গে জলে পলি মাটির পরিমাণ বেশি। যতটা জল উত্তোলন হয়, সেই পরিমাণ হচ্ছে না। এতে সমস্যা হচ্ছে। কাজ চলছে, আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শক্রঘ্ন সিনহা বলেন, শুধু আমার একার নয়, সমস্ত ওয়ার্ডের সমস্যা। সেজন্য আমরা পরির্দশন করেছি। সমস্যা মেটানোর চেষ্টা চলছে।
  • Link to this news (বর্তমান)