• অল্প বৃষ্টিতেই বারাকপুরজুড়ে জমছে জল, নিকাশি নালার ২৪ কোটির ডিপিআর আটকে
    বর্তমান | ১৪ জুলাই ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: একটু বৃষ্টিতেই জল দাঁড়িয়ে যাচ্ছে বারাকপুর শহরের বিভিন্ন জায়গায়। কোথাও গোড়ালি সমান জল, কোথাও হাঁটুর কাছাকাছি। সেই জল দাঁড়িয়ে থাকছে কয়েকদিন। বারাকপুরের ‘পশ’ এলাকা বলে পরিচিত আনন্দপুরী অঞ্চল, পালপাড়া, রবীন্দ্রপল্লিতে জল দাঁড়িয়ে যাওয়ায় মানুষকে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দিনরাত সব সময় জল ভেঙে বাড়িতে ঢুকতে হচ্ছে বারাকপুরবাসীকে। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন এলাকায় জল বেশি সময় দাঁড়িয়ে থাকছে।

    বারাকপুর পুরসভার ৫, ৮, ১১ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তৃত অঞ্চল জলমগ্ন। সেই জল ভেঙে প্রতিনিয়ত মানুষকে যাতায়াত করতে হয়। মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। নিকাশির অনেক পরিকল্পনার কথা বলা হলেও এখনও তার কিছুই হয়নি। জল বের করার জন্য কেএমডিএর পক্ষ থেকে ওয়্যারলেস মোড় থেকে নোয়াই খাল পর্যন্ত একটি বড়ো নিকাশিনালা তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একারণে তৃণমূল আমলে একটি ডিপিআর তৈরি হয়েছিল। যার খরচ ধরা হয়েছিল ২৪ কোটি ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫৫৪ টাকা। কেএমডিএর এই প্রস্তাব অর্থদপ্তরে অনুমোদনের জন্য এখনও পড়ে রয়েছে। সেই ফাইল পাশ করার জন্য অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তকে চিঠি দিয়েছেন বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী।

    বারাকপুর পুরসভা এবং কেএমডিএ’র ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে বিধায়ক ইতিমধ্যেই জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। একটি মাস্টার প্ল্যান করার জন্য পুরসভা এবং কেএমডিএকে বলেছেন। কেএমডিএর ইঞ্জিনিয়ারদের কথায়, জল নিকাশির জন্য একটি পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই ডিপিআর অর্থদপ্তরে আটকে রয়েছে। সেটি অনুমোদন হলেই কাজ শুরু হবে। বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী এ প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূল আমলে যে কাজ হয়নি, তা এই জল জমা দেখেই তা পরিষ্কার। একটু বৃষ্টি হলেই এক একটি জায়গায় দীর্ঘ সময় জল দাঁড়িয়ে থাকছে। শুনেছি অর্থদপ্তরে নাকি ডিপিআর আটকে রয়েছে। সেটি অনুমোদনের জন্য আমি অর্থমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছি। আশা করছি, সমস্যার সমাধান হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)