আগামী ২০ জুলাই থেকে সংসদে বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সদ্য তৃণমূল ছেড়ে অখ্যাত এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া তৃণমূল সাংসদেরা যাতে প্রথম দিন থেকেই নিজেদের এনডিএ-র শরিক হিসেবে তুলে ধরতে পারেন, সব রকম ভাবে তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল। তৃণমূলে কংগ্রেসের সাংসদ থেকে তাঁরা যাতে আলাদা বসতে পারেন, তা নিশ্চিত করার আর্জি জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাকলি ঘোষদস্তিদারেরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও এক দফা বৈঠক করেছেন সুদীপ।
এনসিপিআই সূত্রে খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে লোকসভায় সুদীপই এনসিপিআই-এর দলনেতা হতে পারেন। মুখ্যসচেতক হতে পারেন কাকলি এবং উপদলনেতা শতাব্দী রায়। ঘটনাচক্রে, তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন কোনও না কোনও সময়ে এই পদে থেকেছেন তাঁরা। বাদল অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে সর্বদল বৈঠক হওয়ার কথা। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেও এনসিপিআই-কে ডাকা হবে বলে সুদীপদের জানিয়েছেন স্পিকার।
এনসিপিআই-এ যোগ দেওয়া কুড়ি জন সাংসদের সদস্যপদ খারিজ চেয়ে স্পিকারকে আগেই চিঠি দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের বক্তব্য, সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী, একটি দলে যুক্ত থাকার পর অন্য দলে গেলে সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যাবে। সূত্রের খবর, স্পিকারের সঙ্গে মঙ্গলবারের আলোচনায় সেই বিষয়টি নিয়ে সুদীপ-কাকলিদের কোনও কথা হয়নি।