ফের শিরোনামে বারুইপুর। এ বার এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল। সোমবারের এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বারুইপুর থানার শাসন এলাকার ঘটনা। কিছুদিন আগেই বারুইপুরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ, খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য। এরই মধ্যে নতুন অভিযোগ সেই বারুইপুরেই।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, নাবালিকার বয়স ১২-১৩ বছর। যুবকের বয়স ৩৭। মথুরাপুরে বাড়ি ওই যুবকের। মুরগির ব্যবসা করে সে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, খাবারের লোভ দেখিয়ে ওই নাবালিকাকে বারুইপুরে নিয়ে যায় সে।
অভিযোগ, এলাকার এক বাসিন্দার কাছে ঘর ভাড়া চেয়েছিল ওই যুবক। মেয়েটিকে দেখে সন্দেহ হয় বাড়ির মালিকের। এর পরেই তাদের আটকে রেখে পাড়া প্রতিবেশীকে খবর দেওয়া হয়। খবর দেওয়া হয় থানায়।
স্থানীয় বিজেপি কর্মী তাপস দেবনাথের কথায়, ‘ওই নাবালিকা আর যুবককে আটকে রেখে স্থানীয়রাই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। আমি বললাম, মারধর করো না। আমি থানায় জানাচ্ছি। আমিই লিখিত ভাবে জানালাম।’
স্থানীয় সূত্রে খবর, অভিযুক্ত যুবক দাবি করেছে, তার বাড়ি মথুরাপুরের দিকে। নাবালিকার বাড়ি বেলেঘাটায়। এলাকার লোকজনের দাবি, নাবালিকাকে খাবারের লোভ দেখিয়ে বারুইপুর এলাকায় নিয়ে এসে ধর্ষণের পরিকল্পনা ছিল ওই যুবকের। বিজেপি নেতা তাপস দেবনাথ বলেন, ‘আমার অবাক লাগছে, সূর্যপুরে এমন ঘটনার পরেও মানুষ সতর্ক হচ্ছে না।’
যদিও পুলিশ সূত্রে খবর, ওই নাবালিকার বাড়ি ব্যারাকপুরের দিকে। সেখান থেকে পরিবারের সঙ্গে ঝগড়া করে শিয়ালদহ স্টেশনে চলে এসেছিল। সেখানেই খাবারের লোভ দেখিয়ে মথুরাপুর এলাকার ওই যুবক বারুইপুরের শাসন এলাকায় নিয়ে যায় নাবালিকাকে। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ওই নাবালিকাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত নেমেছে পুলিশ।