রাজস্থানে লুকিয়ে শওকতের 'রাজ্'? নাম জড়াল অভিষেকেরও?
আজকাল | ১৪ জুলাই ২০২৬
আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ববি, পুনরায় পুলিশের দরজায়। এবার বিরাট অভিযোগ শওকত মোলার বিরুদ্ধে। নিশানায় অভিষেক ব্যানার্জিও। বিস্ফোরণ মামলায় এনআইএ-র হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন শওকত। এবার বড় অভিযোগ তাঁর নামেই। অভিযোগে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা একাধিক হলফনামা, সরকারি নথি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)-এর বিধি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথির ভিত্তিতে শওকত মোল্লার ঘোষিত শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দাবি জানিয়েছেন উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের।
কী বলছেন বিজেপি নেতা? অভিযোগ, 'যখনই শওকত ভোটে দাঁড়ায়, দেখায় সে উচ্চ শিক্ষিত। ও নাকি উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে ২০১৪ সালে। ২০১৬ সালের ভোটে দাঁড়ানোর সময়, হলফনামায় দেখায় যে পাশ করেছে বোর্ড অফ ইউথ এডুকেশন অফ ইন্ডিয়া থেকে।' অভিজিতের অভিযোগ, এই বোর্ড অফ ইউথ এডুকেশন অফ ইন্ডিয়া আসলে ভুয়ো। এখানেই শেষ নয়। তাঁর অভিযোগ, ওই বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে, কীভাবে স্নাতক পাশ করেন শওকত?
অভিজিৎ বলছেন, 'স্নাতকে দেখাচ্ছে রাজস্থান থেকে পাশ করেছে। তাও আবার রেগুলার কোর্স। ২০১৬ থেকে যে বিধায়ক, সে কি প্রতিদিন বিমানে যাতায়াত করত? এবার আবার দেখাচ্ছে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর পাশ করেছে। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখি, সবভ ভুয়ো। জাল সার্টিফিকেট চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এই বিষয়েই তদন্ত চাইছি।'
অভিযোগপত্রে শওকত ছাড়াও অভিষেক ব্যানার্জি-সহ একাধিক ব্যক্তির নাম রয়েছে। ঘটনায় অভিষেকের নাম জড়াল কীভাবে? অভিজিৎ বলছেন, 'অভিষেকের দুটো হাত, এক জাহাঙ্গীর, দুই শওকত মোল্লা। এই ভুয়ো সার্টিফিকেটের সঙ্গে অভিষেক কিংবা তাঁর আপ্তসহায়কদের যোগ আছে কিনা, তা খোলসা করতেই, তাঁদের নামও যোগ করছি।' অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এত দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রক্রিয়া, নথি যাচাই, ডিগ্রি প্রদান এবং পরবর্তীতে সরকারি হলফনামায় সেই যোগ্যতার ধারাবাহিক ব্যবহার—এসবের ক্ষেত্রে অন্য কোনও ব্যক্তি, মধ্যস্থতাকারী, প্রশাসনিক সহায়তাকারী বা প্রভাবশালী ব্যক্তির ভূমিকা ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা অত্যন্ত জরুরি।