ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরব কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আক্রমণ তাঁর ‘বিতর্কিত’ আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কেও। ক্যামাক স্ট্রিট সব শেষ করে দিল। যারা সব থেকে বেশি সুবিধা নিয়েছে, অভিষেকের লোক বলে চাপ তৈরি করত, তারাই আজ অভিষেকের বিরুদ্ধে বলছে। অভিষেক বাঁচিয়ে দেবে জেনেই অন্যায় করেছে নেতারা। এ ভাষাতেই আক্রমণ শানাতে দেখা যায় কল্যাণকে। তা নিয়েই চাপানউতোর শুরু রাজনৈতিক আঙিনায়।
সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কল্যাণ বলেন, ‘ক্যামাক স্ট্রিটে সুমিত রায়ের সঙ্গে যারা কথা বলতো, সগংগঠন চালানোর জন্য বেশি কথাবার্তা বলেছে, তাদের এখন ডেকে ডেকে পুলিশ বলছে, ওই শালবনির কেসের সঙ্গে যোগ আছে। বেশি যদি বাড়াবাড়ি করো ঢুকিয়ে দেব। এটা এখন পুলিশের পিকচার হয়ে গেছে। বলছে, হয় ঋতব্রতর ক্যাম্পে যাও না হলে ধরে নেব। সুমিত রায়ের জন্য আজ অসংখ্য ছেলে এই চাপের মুখে পড়ছে। ক্যামাক স্ট্রিটটা শেষ করে দিল আমাদের।’
একইসঙ্গে একহাত নেন তৃণমূলের বিদ্রোহী-বিক্ষুব্ধ শিবিরের বিরুদ্ধেও। সুর চড়য়িছেন আইপ্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও। বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, ‘তোমরাই তো ওর (অভিষেকের) সঙ্গে ছিলে, তোমরাই তো ওর থেকে সব পেয়েছ। তোমরাই তো আইপ্যাক কে মাথায় তুলেছ।’ কল্যাণের দাবি, এককালের সুবিধাভোগীরাই আজ অভিষেকের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি মুখ খুলছে। অথচ তাঁরাই একসময় আইপ্যাক থেকে সুবিধা নিয়েছেন। আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে বলেন, ‘সুমিত দিনে দু’বার কথা বললে ভাবতো জীবন ধন্য হয়ে গিয়েছে। যখন আমি আই-প্যাক এর বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছি তখন তো আমার আমার পাশে কেউ দাঁড়ায়নি। আইপ্যাক এর থেকে সব সুবিধা নিয়েছো, নিজেদের নেতা বলে প্রতিষ্ঠা করেছো। নিজেদের অভিষেকের লোক বলে চাপ সৃষ্টি করেছ। আজ তারা অভিষেকের বিরুদ্ধে বলছে।’