• পঞ্চায়েতেও হবে পুনর্বিন্যাস, প্রধানদের হাতে থাকবে না আর্থিক ক্ষমতা! বললেন দিলীপ
    প্রতিদিন | ১৫ জুলাই ২০২৬
  • রাজ্যে পঞ্চায়েত আইনে বড় বদল আসতে চলেছে। বিধানসভায় বিল এনে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানদের কাছ থেকে আর্থিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হবে। একথা জানালেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। পাশাপাশি তিনি জানান, পঞ্চায়েতেও পুনর্বিন্যাস হবে। রাজ্যজুড়ে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি পঞ্চায়েত গড়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সব পুরসভা, ব্লক, বিধানসভা, লোকসভার আসন সংখ্যাও বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করেন তিনি।

    রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েতগুলিতে একাধিক দুর্নীতি হয়েছে বলে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল আমলে সেই দুর্নীতি আকাশ ছোঁয় বলে দাবি বিজেপির। আবাস যোজনা থেকে ১০০ দিনের কাজ, বাদ যায়নি কোনও প্রকল্পই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই দুর্নীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িয়েছে প্রধানদের নাম। এর ফলে মুখ পুড়েছে রাজ্যের। সেই রকম পরিস্থিতি এড়াতে এবার প্রধানদের হাতে আর আর্থিক ক্ষমতা দিতে চাইছে না বিজেপি সরকার। বিধানসভায় আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনে এই সংক্রান্ত একটি বিল আনা হচ্ছে। সেই বিল পাশ করিয়ে পঞ্চায়েত আইনে ব্যাপক বদল আনতে চলেছে রাজ্য। এই বিলে প্রধানদের হাত থেকে আর্থিক লেনদেনের দায়িত্ব কেড়ে নিয়ে তা দেওয়া হবে সরকারি আধিকারিকদের হাতে। জানা গিয়েছে, এক্সিকিউটিভ অ্যাসিসট্যান্ট স্তরের আধিকারিকরাই এই দায়িত্ব পাবেন।

    ইতিমধ্যে কলকাতা পুরসভায় বাড়ছে ওয়ার্ডের সংখ্যা। ১৪৪ এর জায়গায় ২০০টি ওয়ার্ডে ভাঙা হবে শহরকে। সেই পথে হেঁটে এবার পঞ্চায়েতেও আসন পুনর্বিন্যাস হবে বলে জানান দিলীপ। শুধু পঞ্চায়েত নয়, ব্লক, বিধানসভা, লোকসভার আসন সংখ্যাও বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। দিলীপ জানান, রাজনৈতিক স্বার্থে আসন ভাগ করা হয়েছে। কোনও যুক্তি নেই। এক একটি পঞ্চায়েতে ৩০ জনের বেশি সদস্য রয়েছে। আবার কোনও পঞ্চায়েতে ১০-১২ জন সদস্য। অন্যান্য রাজ্যে একটি পঞ্চায়েতে ৩-৪টের বেশি সদস্য থাকে না। এরফলে সুষ্ঠুভাবে প্রশাসন চলে। পশ্চিমবঙ্গেও তা-ই হবে। রাজ্যে ৪ হাজারের বেশি পঞ্চায়েত করা হবে। দিলীপের কথায়, “আমরা ৫টি জেলা বাড়িয়েছি। এরপর ধীরে ধীরে ব্লক, পঞ্চায়েত, পুরসভা, বিধানসভা, লোকসভা সব বাড়বে। কর্পোরেশনের বিস্তার হবে। ওয়ার্ড বাড়ানো হবে। যাতে প্রশাসন সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)