মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকল অন্নপূর্ণার ৩০০০, টাকা তুলে নিল অন্য কেউ! মালদহে কীভাবে জালিয়াতি? সাবধান
News18 বাংলা | ১৫ জুলাই ২০২৬
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়েও এবার জালিয়াতির অভিযোগ উঠল৷ অভিযোগ উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা ঢুকলেও সেই টাকা জালিয়াতি করে তুলে নিলেন ব্যাঙ্কের কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট-এর কর্মী৷ চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগ উঠেছে মালদহের চাঁচল থানার ভেবা এলাকায়৷
স্থানীয় সূত্রে খবর, চাঁচল থানা এলাকার বাসিন্দা মর্জিনা বিবি অন্নপূর্ণা যোজনায় ৩০০০ টাকা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন৷ কয়েকদিন আগে ফোনে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা ঢোকার মেসেজও আসে মর্জিনা বিবির ফোনে৷ মেসেজ পাওয়ার পরই বাড়ির কাছে ব্যাঙ্কের কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টে টাকা তুলে যান ওই মহিলা৷
অভিযোগ, কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টে গেলে সেখানকার কর্মী বানু চৌধুরী ওই মহিলাকে জানানো হয়, মর্জিনা বিবির অ্যাকাউন্টে কোনও টাকা ঢোকেনি৷ কিন্তু পরে ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বের করে মর্জিনা বিবি দেখেন, অন্নপূর্ণা প্রকল্পে ৩০০০ টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকলেও সেই টাকা বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে তুলে নেওয়া হয়েছে৷ অথচ, ওই টাকা তিনি তোলেননি বলে দাবি মর্জিনা বিবির৷
ওই মহিলার অভিযোগ, এই ঘটনার প্রতিবাদ করতেই ওই অভিযুক্ত বানু চৌধুরী তাঁকে বেধড়ক মারধর করে৷ আহত অবস্থায় মর্জিনা বিবি নামে অন্নপূর্ণা যোজনার ওই উপভোক্তাকে চাঁচল সুপারস্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ অভিযুক্ত সিএসপি কর্মী রানু চৌধুরীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত মহিলার পরিবার৷ যদিও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বানু চৌধুরী৷
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এর আগে একাধিকবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন৷ মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, প্রায় ৩০ লক্ষ ভুয়ো অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা প্রতি মাসে ঢুকছিল৷ বহু পুরুষও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছিলেন৷
মুখ্যমন্ত্রী একই সঙ্গে আশ্বস্ত করে জানিয়েছিলেন, প্রকৃত উপভোক্তারা যাতে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতেই অন্নপূর্ণা প্রকল্পে আবেদনে প্রক্রিয়ায় কড়া নজরদারি এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা হচ্ছে৷ একজনও প্রকৃত উপভোক্তা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে না৷ ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত অন্নপূর্ণা যোজনার ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া চলবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷