রাত পোহালেই রথযাত্রা। গতবছর থেকে দিঘাতেও জগন্নাথ মন্দির ঘিরে শুরু হয়েছে রথযাত্রা উৎসব। ফলে পুরীর আমেজ পেতে রথের আগে দিঘা প্ল্যানিং সেরে ফেলেছেন বহু ভক্তই। সাজোসাজো রব এখন দিঘা ঘিরে। কিন্তু বাধ সাধছে হোটেল। অনেকেই বুঝতে পারছেন না, আজ বা কাল দিঘাতে গিয়ে হোটেল পাবেন কিনা। এই মুহূর্তে দিঘায় হোটেলের চাহিদা কেমন, ভাড়াই বা কত রয়েছে? খোঁজ নিল bangla.aajtak.in।
দিঘা শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী জানিয়েছেন, "এবার রথ উপলক্ষে বেশ ভালো ভিড় হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ সব হোটেল ইতিমধ্যেই বুক হয়ে গিয়েছে। অনলাইনেও এবং ফোন করেও বহু মানুষ আগামীকালের জন্য হোটেল বুক করেছেন।" পাশাপাশি তাঁর দাবি, এখন আর আগের মতো কোনও উৎসব এলেই হোটেলের ভাড়া বেশি নেওয়া হয় না। তিনি বলেন "সাধারণ ভাড়াই এখনও বজায় রয়েছে। নন-এসি রুমের ক্ষেত্রে ভাড়া রয়েছে ৮০০-১২০০ টাকা। আর এসি রুমের ভাড়া রয়েছে ১৮০০-২২০০ টাকা।"
উল্লেখ্য বিষয় হল, দিঘা শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের হাতে দিঘা, মন্দারমণি, শঙ্করপুর এলাকা মিলে মোট ১৩০০-এর বেশি হোটেল রয়েছে। এই হোটেলগুলিতে দাম বেশি নেওয়া হয় না বলেই দাবি করেছেন বিপ্রদাস চক্রবর্তী।
তবে এর বাইরেও দিঘাতে প্রচুর হোটেল রয়েছে। সেই হোটেলগুলির কিছু এখনও ফাকাও রয়েছে। যাতে সেই হোটেলগুলিতেও দাম বেশি যাতে না নেওয়া হয়, সে বিষয়ে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন। তবে স্থানীয় স্তরে অভিযোগ চুপিসারে পর্যটকদের কাছে বেশ কিছু হোটেলওয়ালারা চড়া দাম হাঁকছেন।
দিঘার রথযাত্রা নিয়ে সতর্ক রয়েছে প্রশাসনও। রথের সময় দিঘায় যে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়তে চলেছে, তা জানে প্রশাসনও। সূত্রের খবর ইতিমধ্যেই সেই ভিড় সামলাতে একাধিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। খাবারের মান যাচাই থেকে শুরু করে, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি করা, ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকানদার হঠানো, রাস্তার পাশে লাইট লাগানোর মতো কাজে ইতিমধ্যেই জোর দিয়েছে প্রসাশন।
দিঘা জগন্নাথ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রাধারমন দাস মঙ্গলবার bangla.aajtak.in -কে জানান, এবছর জগন্নাথ দেবের ফুলের মুকুট আসছে পুরী থেকে। বৃহস্পতিবার ওই মুকুট পরেই রথে আসীন হবেন প্রভু জগন্নাথ দেব। তিনি জানান, এই বছর রথের রশি টানতে পারবেন সাধারণ মানুষেরাও।