‘পোস্টমর্টেম করে এখন লাভ নেই,’ বিজেপি বিধায়ককে পাশে নিয়ে ছবি তুললেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়
News18 বাংলা | ১৫ জুলাই ২০২৬
বুধবার হুগলির চুঁচুড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন সদ্য তৃণমূল ত্যাগী এনসিপিআই সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এদিনের বৈঠকে এসে চুঁচুড়ার সদ্য নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি৷ এদিন বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘যে স্বপ্ন নিয়ে রাজনীতিতে এসেছিলাম তাতে ব্যাঘাত ঘটেছে তাই দল পরিবর্তন করেছি।’’ পাশাপাশি, চুঁচুড়ার বিধায়ককে পাশে নিয়ে তাঁর বার্তা, ‘‘আমরা মোদিজি অমিত শাজি শুভেন্দু দার সাপোর্টার, চুঁচুড়ায় খুব ভাল বিধায়ক পেয়েছি৷’’
২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে হুগলি কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ছাব্বিশের বিধানসভা পরবর্তী ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে লোকসভার বাকি ১৮ সাংসদের সঙ্গে তাঁকেও শিবির বদলে এনসিপিআই-তে যোগ দিতে দেখা যায়৷ সেখানে তাঁরা অধ্যক্ষের কাছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে সমর্থন জানিয়ে চিঠিও জমা দেন৷
এদিন এই রাজনৈতিক শিবির বদল প্রসঙ্গে রচনা বলেন, ‘‘কোনও চিন্তা ভাবনা নিয়ে রাজনীতিতে আসিনি। এখানে যদি দাদার (শুভেন্দু অধিকারী) সহযোগিতা পাই, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা পাই, আমাদের হুগলির প্রচুর উন্নয়ন হবে।
চুঁচুড়ায় এবার মনের মতো বিধায়ক পেয়েছি। আমরা সবাই ভারতীয় জনতা পার্টির সাপোর্টার। মোদিজি, অমিত শাহজি এবং শুভেন্দু দা’র। আমরা জানি, ভাল কাজ হবে। আমরা আর কিছু চাই না।’’
হুগলি জেলাস্তরে দীশা কমিটির অনুষ্ঠানে চুঁচুড়া রবীন্দ্র ভবনে উপস্থিত ছিলেন হুগলি সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তৃণমূলের ভাঙন, শিবির বদল এবং ছাব্বিশ পরবর্তী পর্যায়ে বিগত শাসকদলের ভঙ্গুর দশা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে সাংসদকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আগে কী হয়েছে, কী হত না সেসব পোস্টমর্টেম করে এখন লাভ নেই। আমাদের লক্ষ্য এখন রাজ্যের উন্নয়ন।’’
একুশে জুলাই নিয়ে তাঁর বার্তা, ‘‘২১ শে জুলাই ভীষণ একটা আবেগময় দিন।এটার মধ্যে ভাল, তৃণমূল খারাপ তৃণমূল এসব নেই। এগুলোকে পিছনে ফেলে রেখে যারা ওই দিন শহিদ হয়েছিলেন তাদের আত্মার শান্তি কামনায় দিনটাকে পালন করা উচিত।’’