• শুভেন্দুর 'জনতার দরবার', অ্যাপয়েন্টমেন্ট কীভাবে?
    আজকাল | ১৬ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিজের অভাব-অভিযোগের কথা রাজ্যবাসী সরাসরি জানাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীকে। এই কর্মসূচির পোশাকি নাম- 'জনতার দরবার'। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকবার এই কর্মসূচি হয়েছে। তাতে প্রচুর মানুষ নিজেদের কথা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তুলে ধরতে পেরেছেন। জমি লুঠ থেকে চাকরি দুর্নীতি, ইত্যাদি নানা বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে নিজেদের অভাব-অভিযোগের কথা জানাতে পেরেছেন বঙ্গবাসী। বেশিরভাগই সুরাহাও পেয়েছেন। অনেকেই 'জনতার দরবার'-এ গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁদের অভাব-অভিযোগ, সমস্যার কথা জানাতে চান। কিন্তু কীভাবে তা সম্ভব? এই প্রতিবেদনে রইল তারই হদিশ।

    এই কর্মসূচির অংশীদার হওয়ার জন্য এখনও কোনও অনলাইন ব্যবস্থা নেই। প্রথমেই সশরীরে আগ্রহী ব্যক্তিকে বিধাননগরের (সল্টলেক) বিজেপি দলীয় দপ্তরে উপস্থিত (অফিস টাইমে) হতে হবে। সোমবার থেকেই শুক্রবারের মধ্যে যেতে হবে। দপ্তরের ঢুকেই রয়েছে একটি কাউন্টার। সেখানে অভাব-অভিযোগ বা সমস্যার কথা জানাতে হবে। সঙ্গে করে দরকারি নথিও আনতে হবে। সেখানেই যদি সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়, তাহলে বিষয়টি মিটিয়ে দেওয়া হবে।

    যদি তা সম্ভব না হয়, দলীয় কর্তৃপক্ষ যদি মনে করেন যে আগ্রহী ব্যক্তির সমস্যার বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর সামনে 'জনতার দরবার'-এ উত্থাপনযোগ্য তাহলে একটি টোকেন দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে লিকে রাখা হবে আবেদনকারীর পরিচয়, মোহবাইল নম্বর, সমস্যার বিষয়টি। যোগাযোগের সুবিধার জন্য অনেক সময়ই ব্যক্তির যেকোনও একটি পরিচয় পত্রের ফটোকপিও রাখা হয়।

    এরপর আবেদনকারীকে ফোন করা হবে বিজেপি দপ্তর থেকে। মুখ্যমন্ত্রী যেদিন 'জনতার দরবার'-এ বসবেন মূলত তার দু-তিন দিন আগে এই ফোন করা হয়। ফোনে জানানো হয় যে, আবেদনকারী কবে, কখন টোকেন নিয়ে 'জনতার দরবার'-এ উপস্থিত হবেন।

    মনে রাখা দরকার যে, আগেই জনতার দরবার জানতে পেরে সেখানে ভোরবেলা থেকে দাঁড়িয়ে থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইলেই তা সম্ভব নয়। আবেদনকারীকে অবশ্যই পদ্ধতি মেনে তাঁর অভাব-অভিযোগ জানাতে আবেদন করতে হবে। 

     
  • Link to this news (আজকাল)