নয়াদিল্লি, ১৫ জুলাই: প্রশ্নপত্র ফাঁস সহ জাতীয় স্তরের বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়ম এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশন শুরু করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। গত ২৮শে জুন থেকে অনশন শুরু করেছিলেন তিনি। এদিন বুধবার ১৮ দিনে পড়েছে অনশন। অনশনের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। ওজন কমেছে প্রায় ৮.৫ কেজি তাঁর। যা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। এই পরিস্থিতিতে সমাজকর্মী-আইনজীবী রাকেশকুমার সাইনি দ্বারস্থ হলেন আদালতের। দায়ের করলেন জনস্বার্থে মামলা। দাবি করলেন, অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করা হোক এই বিষয়টিতে। সোনমকে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালে নিয়ে জোর করে খাইয়ে তাঁর অনশন ভঙ্গ করার দাবি করেছেন ওই আইনজীবী। রাকেশকুমারের আবেদনে জানানো হয়েছে, সোনমের স্বাস্থ্যের অনেকটাই অবনতি ঘটেছে। অনেকটাই ওজন কমে গিয়েছে তাঁর। এইভাবে চললে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
ককরোচ জনতা পার্টির হয়ে গত ১৭ দিন ধরে অনশন চালাচ্ছেন সোনম ওয়াংচুক। অনশনের এতগুলো দিন কেটে গেলেও সরকারের তরফে কো ন নোরকম যোগাযোগ করা হয়নি। সরকারের নীরবতায় ক্ষুব্ধ হয়ে সোনম অনশন মঞ্চ থেকে ক্ষোভ উগরে বলেন, দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থেই জনগণের কথা শোনা সরকারের উচিত। কঠোর মানসিকতা ছেড়ে তাদের সংবেদনশীল হওয়া উচিত। গণতন্ত্র সহানুভূতি ও সহমর্মিতার ওপর চলে, একগুঁয়েমির ওপর নয়। ফলে প্রধানমন্ত্রীর উচিত তাঁর একগুঁয়ে মনোভাব ত্যাগ করে সংবেদনশীল হওয়া।