• 'নতুনভাবে সাজাতে চাই', প্রথম উত্তরবঙ্গ সফরে এসে বার্তা বনমন্ত্রীর, কমতে পারে ইকো-সেনসিটিভ জোন
    News18 বাংলা | ১৬ জুলাই ২০২৬
  • অরণ্য সপ্তাহের আবহে শিলিগুড়ি সংলগ্ন সালুগাড়ার বেঙ্গল সাফারিতে প্রথমবার সরকারি সফরে এলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও। সরকার গঠনের পর বনমন্ত্রী হিসেবে এটাই তাঁর প্রথম বেঙ্গল সাফারি পরিদর্শন। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়িকা শিখা চ্যাটার্জি এবং বন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা। সফরের মূল বার্তা ছিল—উত্তরবঙ্গের পর্যটনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।

    পরিদর্শনের শুরুতেই বনমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ করেন। এরপর বিশেষ সাফারি গাড়িতে চেপে ঘুরে দেখেন গোটা বেঙ্গল সাফারি। পশুপাখির আবাসন, পর্যটকদের জন্য থাকা বিভিন্ন পরিকাঠামো, দর্শনার্থীদের সুবিধা এবং ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। পর্যটকদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে একাধিক নতুন উদ্যোগের দিকেও জোর দেন তিনি।

    বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাও বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গকে নতুনভাবে সাজাতে চাই। বেঙ্গল সাফারিকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যাতে দেশ-বিদেশের আরও বেশি পর্যটক এখানে আসেন। নতুন আকর্ষণ তৈরি, উন্নত পরিষেবা এবং পর্যটন পরিকাঠামো বাড়ানোর পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।”

    তিনি আরও জানান, “বেঙ্গল সাফারি সংলগ্ন ইকো-সেনসিটিভ জোন বর্তমানে পাঁচ কিলোমিটার রয়েছে। তা এক কিলোমিটারে কমানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখেই উন্নয়নের পথ খোঁজা হবে। এতে স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পও উপকৃত হবে বলে আমরা আশা করছি।”

    এদিন বনমন্ত্রী আগের সরকারের আমলে বনদফতরে নিয়োগ-সহ একাধিক ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তোলেন। তাঁর দাবি, সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হবে এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসনের ভিত্তিতেই বনদফতরকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।
  • Link to this news (News18 বাংলা)