• পুজো–দখল নয়, শমীকের বার্তার পরেও ধন্দ সুরুচিতে
    এই সময় | ১৭ জুলাই ২০২৬
  • এই সময়: অরূপ বিশ্বাস, স্বরূপ বিশ্বাসরা আর নেই সুরুচি সঙ্ঘে। কিন্তু তারপরও রাজনীতির পাকচক্র থেকে বেরোতে পারেনি দক্ষিণ কলকাতার এই ক্লাবটি। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার সুরুচি সঙ্ঘের নতুন সম্পাদক হওয়ার পরেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর কড়া বার্তার পরও বিতর্ক পিছু ছাড়ল না সুরুচির!

    বুধবার নিউ আলিপুরের এই ক্লাবের সাম‍নে বিক্ষোভে সামিল হন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, নতুন কমিটি তৈরির সময়ে স্থানীয়দের পুরোপুরি অন্ধকারে রাখা হয়েছিল। তাঁদের আরও অভিযোগ, আগের মতো এই কমিটিতেও রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট। বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদারদের দিকেই যে স্থা‍নীয়দের একাংশের ইঙ্গিত, সেটা স্পষ্ট। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আগেই বার্তা দিয়েছিলেন, বিজেপি নেতাদের পুজো দখলের প্রবণতা বরদাস্ত করা হবে না। এর মধ্যে উত্তর দমদমের বিধায়ক সৌরভের নিউ আলিপুরের পুজোর সম্পাদক হওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। যা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শমীক এ দিন সাফ বলেন, ‘সৌরভ শিকদার ‍সুরুচিতে নেই এখন। আমি বলে দিয়েছি।’ তবে বিষয়টি যে এখানেই মিটছে না, তার ইঙ্গিত মিলেছে সৌরভের প্রতিক্রিয়ায়। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এখনও কোনও নির্দেশ আসেনি। তবে আমার কাছে পার্টির নির্দেশ শিরোধার্য।’ তাঁর সংযোজন, ‘তবে রাজ্য সভাপতি হয়তো জানেন না, গত বেশ কিছু বছর আমি নিউ অালিপুরেই থাকি।’ সুরুচির সঙ্গে তিনি কতটা সম্পৃক্ত, সেটা বোঝাতে সৌরভের বার্তা, ‘অনেকেই জানেন না, সুরুচি সঙ্ঘের একটি ফুটবল টিমও আছে। ওই টিমটি এ বার কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে খেলছে। শুক্রবার সুরুচির প্রথম ম্যাচ। দল আমাকে সরে যেতে বললে ফুটবল টিমের দায়িত্বও কাউকে একটা দিতে হবে।’

    শুধু সুরুচি নয়, শ্রীভূমি স্পোটিং ক্লাবের ‘দখল’ নিয়েছেন বিজেপি নেতা কণক দেবনাথ। তৃণমূল জমানায় শ্রীভূমির পুজো রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর পুজো বলেই পরিচিত ছিল। পুর–নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সুজিত বর্তমানে জেলে। তাই শ্রীভূমির হাল ধরেছেন ক‍ণক। এর বাইরেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলার বহু পুজো কমিটির মাথায় বসেছেন বিজেপি নেতা–বিধায়করা। দলের একাংশের এই প্রবণতার বিরোধিতা করে শমীক এ দিন বলে‍ন, ‘আমি চাই, পুজো থেকে রাজনৈতিক নেতারা দূরে থাকুন। সব এলাকাতেই বহু বিশিষ্ট মানুষ আছেন, তাঁরা পুজোর সঙ্গে থাকুন।’ কী ভাবে শহরের পুজোগুলি দখল হচ্ছে, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি এ দিন বলেন, ‘কিছু কিছু পুজো উদ্যোক্তা দুর্গাপুজোকে কার্যত নিজেদের পরিচিতির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। তাঁরা এখন কেউ ভিতরে আছেন, কেউ বাইরে আছেন, কেউ সুখী গৃহকোণে আছেন। কিন্তু তাঁরা কেউ পুজোতে নেই। তাঁরা কেউ এগিয়ে আসছেন না। ফলে একটা শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে। সেই সুযোগে কিছু মানুষ সেই সব পুজোয় ঢুকে পড়ছেন। আমাদের কয়েকজন চলে গিয়েছিলেন।’ তাঁদের উদ্দেশে শমীকের স্পষ্ট বার্তা, ‘আমি প্রত্যেককে বলেছি, যে যেখানকার বিধায়ক, সেখানকার পুজোগুলির সঙ্গে যুক্ত হোন। নিজের এলাকার বাইরের পুজোয় অভিভাবক হিসেবে কাজ করতে পারেন, সহযোগিতা করতে পারেন, অর্থ সাহায্যও করতে পারেন। কিন্তু জোর করে নিজের এলাকার বাইরে কোনও পুজো কমিটি দখল করতে যাবেন না।’ এরপরেই শ্রীভূমির নাম না–করে তাঁর সংযোজন, ‘আজ এক জন প্রাক্তন মন্ত্রী জেলে আছেন। তিনি বিরাট পুজো করতেন। সেই পুজোটা বিজেপির কেউ গিয়ে ঝান্ডা তুলে দখল করে নেবে, এটা হয় না।’ শ্রীভূমির নতুন কমিটির সদ্য নির্বাচিত সভাপতি কণক দেবনাথ অবশ্য বলেন, ‘এত দিন এই পুজোকে ঘিরে ব্যক্তি বিশেষের প্রাধান্য থাকলেও এ বার থেকে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিটি বাসিন্দার অংশগ্রহণেই পুজো অনুষ্ঠিত হবে।’

    শুধু সুরুচি নয়, শ্রীভূমি স্পোটিং ক্লাবের ‘দখল’ নিয়েছেন বিজেপি নেতা কণক দেবনাথ। তৃণমূল জমানায় শ্রীভূমির পুজো রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর পুজো বলেই পরিচিত ছিল। পুর–নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সুজিত বর্তমানে জেলে। তাই শ্রীভূমির হাল ধরেছেন ক‍ণক। এর বাইরেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলার বহু পুজো কমিটির মাথায় বসেছেন বিজেপি নেতা–বিধায়করা। দলের একাংশের এই প্রবণতার বিরোধিতা করে শমীক এ দিন বলে‍ন, ‘আমি চাই, পুজো থেকে রাজনৈতিক নেতারা দূরে থাকুন। সব এলাকাতেই বহু বিশিষ্ট মানুষ আছেন, তাঁরা পুজোর সঙ্গে থাকুন।’ কী ভাবে শহরের পুজোগুলি দখল হচ্ছে, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি এ দিন বলেন, ‘কিছু কিছু পুজো উদ্যোক্তা দুর্গাপুজোকে কার্যত নিজেদের পরিচিতির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। তাঁরা এখন কেউ ভিতরে আছেন, কেউ বাইরে আছেন, কেউ সুখী গৃহকোণে আছেন। কিন্তু তাঁরা কেউ পুজোতে নেই। তাঁরা কেউ এগিয়ে আসছেন না। ফলে একটা শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে। সেই সুযোগে কিছু মানুষ সেই সব পুজোয় ঢুকে পড়ছেন। আমাদের কয়েকজন চলে গিয়েছিলেন।’ তাঁদের উদ্দেশে শমীকের স্পষ্ট বার্তা, ‘আমি প্রত্যেককে বলেছি, যে যেখানকার বিধায়ক, সেখানকার পুজোগুলির সঙ্গে যুক্ত হোন। নিজের এলাকার বাইরের পুজোয় অভিভাবক হিসেবে কাজ করতে পারেন, সহযোগিতা করতে পারেন, অর্থ সাহায্যও করতে পারেন। কিন্তু জোর করে নিজের এলাকার বাইরে কোনও পুজো কমিটি দখল করতে যাবেন না।’ এরপরেই শ্রীভূমির নাম না–করে তাঁর সংযোজন, ‘আজ এক জন প্রাক্তন মন্ত্রী জেলে আছেন। তিনি বিরাট পুজো করতেন। সেই পুজোটা বিজেপির কেউ গিয়ে ঝান্ডা তুলে দখল করে নেবে, এটা হয় না।’ শ্রীভূমির নতুন কমিটির সদ্য নির্বাচিত সভাপতি কণক দেবনাথ অবশ্য বলেন, ‘এত দিন এই পুজোকে ঘিরে ব্যক্তি বিশেষের প্রাধান্য থাকলেও এ বার থেকে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিটি বাসিন্দার অংশগ্রহণেই পুজো অনুষ্ঠিত হবে।’

  • Link to this news (এই সময়)