মমতা তৃণমূলের কর্মসূচিতে মদন, কুণাল বললেন, 'আমাদের লোক ওদের মধ্যে'
আজ তক | ১৭ জুলাই ২০২৬
মাত্র ২ দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী মদন মিত্র গিয়েছিলেন ঋতব্রত শিবির। শুক্রবার তাঁকেই দেখা গেল কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়দের সঙ্গে। তবে কি ফের নিজের অবস্থান বদল করলেন কামারহাটির বিধায়ক? কুণাল ঘোষের মন্তব্য জল্পনা বাড়িয়ে দিল।
কুণালের মন্তব্য জল্পনা
বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবং বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এদিন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে দেখা যায় মদন মিত্রকে। সাংবাদিকদের ক্যামেরায় সেই দৃশ্য ধরা পড়তেই হইচই পড়ে যায়। তবে কি মদনের ২ দিনেই মোহভঙ্গ হল?
জল্পনা বাড়িয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, 'মদনদা শারীরিক ভাবে ওইদিকে গিয়েছেন, কিন্তু মদনদার মন অন্য দিকে পড়ে আছে। উনিও জানেন ধর্ষক কে। কাপুরুষের মতো ED দিয়ে, বউদি আর ছেলেদেরকে নোটিশ দিয়েছে, ফলে আমরা চাই মদনদা ভাল থাকুন। ২-৪ দিন যা মন চায়, প্রাণ চায় করুক। আমরাও জানব, আমাদের একটা লোক ওদের দলে রইল।'
এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও দাবি করেছিলেন, যাঁরা ওইদিকে যাচ্ছেন, তাঁরা গোপনে তাঁর সঙ্গে যোদাযোগ রাখছেন। মদন মিত্রের নাম না উল্লেখ করলেও তিনি কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, নিরুপায় হয়ে শিবির বদল করলেও তাঁদের মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। সবটাই মদন মিত্র দিদিকে জানিয়েছেন, এ কথাও প্রায় স্পষ্ট করেন দেন তিনি।
মদনের প্রতিক্রিয়া
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মদন মিত্র বলেন, 'ঢোকার রাস্তা একটু এদিন ওদিক হয়েছে হয়তো, তবে গন্তব্য তো একটাই, বিধানসভা। আর উনি তো বলেছেন, যাঁরা যাঁরা ভয় পাচ্ছেন, যাঁদের অসুবিধে আছে, তাঁরা যেন চলে যায়। উনি আমায় তাড়িয়ে দিয়েছেন, আমি চলে এসেছি। কালীঘাট থেকে তৃণমূল যেভাবে চলছে, তাতে BJP-কে রোখা যাবে না। ঋতব্রতর নেতৃত্বে যেভাবে দাপটের সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াই হচ্ছে, তা দেখে আমি এদিকে এসেছি। আর ED-র ভয় দেখানোর কোনও ব্যাপার নেই কারণ ED একটা তদন্তকারী সংস্থা, ওরা ডেকেছে, আমি সহযোগিতা করব।'
শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ক্ষমতা রয়েছে বলে এদিন জানান মদন মিত্র। তিনি বলেন, 'শুভেন্দুর তো ফ্যান হবেই লোকে। এই মুহূর্তে রাজ্যে যে যুবকরা রাজনীতি করছে তার মধ্যে শুভেন্দু অন্যতম শ্রেষ্ঠ যুবকের গরিমা পেয়েছে।'